১০/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৭৮৭ - মেহমানের ইমামতি ও স্বাগতিকের অধিকার
সাক্ষাৎকারীর ইমামাত
মেহমান কি ইমামতি করবে? হাদিসের সরাসরি নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৭৮৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৭৮৭
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ أَبَانَ بْنِ يَزِيدَ قَالَ: حَدَّثَنَا بُدَيْلُ بْنُ مَيْسَرَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَطِيَّةَ مَوْلًى لَنَا، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِذَا زَارَ أَحَدُكُمْ قَوْمًا فَلَا يُصَلِّيَنَّ بِهِمْ»
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যখন তোমাদের কেউ কোন দলের সাক্ষাতের জন্যে যায় তখন সে যেন তাদের ইমামাত না করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৭৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মেহমান বা দর্শনার্থীর ইমামতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ কোনো দলের কাছে সাক্ষাৎ করতে গেলে সে যেন তাদের ইমামতি না করে। “মেহমানের ইমামতির নিয়ম” বা “অন্যের বাড়িতে কে ইমাম হবে” প্রশ্নে এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক। এখানে সফরকারী ব্যক্তির জ্ঞান, বয়স বা কিরাআতের মান নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। বরং তিনি যে দলের কাছে গেছেন, সেই অবস্থাটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অতিথি নিজে থেকে সামনে এগিয়ে নেতৃত্ব নেবেন না। এই শিক্ষা অন্যের জায়গা, দায়িত্ব ও ব্যবস্থাপনার প্রতি সম্মান দেখানোর সঙ্গে যুক্ত। তবে হাদিসে অনুমতি পেলে কী হবে, সে কথা এই বর্ণনায় আলাদাভাবে বলা নেই; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত শর্ত জুড়ে দেওয়া উচিত নয়। মূল কথা হলো, সাক্ষাৎ করতে যাওয়া ব্যক্তি স্বাগতিক দলের ইমাম হবেন না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাক্ষাৎ করতে যাওয়া ব্যক্তি স্বাগতিক দলের ইমামতি করবে না।
- মেহমানের উচিত নিজে থেকে নেতৃত্ব নিতে এগিয়ে না যাওয়া।
- হাদিসটি স্বাগতিক দলের ব্যবস্থাপনা ও অধিকারকে সম্মান করার শিক্ষা দেয়।
