১১/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮৭৬ - সালাতে রফউল ইয়াদাইন করার স্থান
সলাতের প্রারম্ভিক কাজ
রফউল ইয়াদাইন: সালাতে কখন দুই হাত তুলবেন
সুনানে আন-নাসায়ী : ৮৭৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৮৭৬
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ: حَدَّثَنِي سَالِمٌ، ح وَأَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ وَهُوَ الزُّهْرِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ التَّكْبِيرَ فِي الصَّلَاةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ يُكَبِّرُ حَتَّى يَجْعَلَهُمَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ إِذَا قَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ». فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ وَقَالَ: «رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ». وَلَا يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يَسْجُدُ وَلَا حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখেছি, তিনি যখন সালাতে তাকবির শুরু করতেন তখন তাকবিরের সময় তাঁর দু'হাত উঠাতেন এবং হাত দু'খানাকে উভয় কাঁধ বরাবর করতেন। আর যখন রুকু করার জন্যে তাকবির বলতেন তখনও এরূপ করতেন। এরপর যখন "সামি'আল্ল-হু লিমান হামিদাহ" বলতেন তখনও এমন করতেন এবং বলতেন- “রব্বানা- ওয়ালাকাল হাম্দ"। আর যখন তিনি সিজদা করতেন তখন এবং যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন তখন এমন করতেন না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতে রফউল ইয়াদাইন বা দুই হাত তোলার স্থান পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সালাত শুরু করার তাকবীরের সময় দুই হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন। রুকুতে যাওয়ার তাকবীর বলার সময়ও একইভাবে হাত তুলতেন। রুকু থেকে উঠে “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলার সময়ও হাত তুলতেন এবং “রব্বানা ওয়া লাকাল হাম্দ” বলতেন। কিন্তু সিজদায় যাওয়ার সময় এবং সিজদা থেকে মাথা তোলার সময় এভাবে হাত তুলতেন না। “রফউল ইয়াদাইন করার নিয়ম”, “রুকুর আগে হাত তোলা” এবং “সিজদায় হাত তোলা হয় কি”—এসব প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এই বর্ণনায় আছে। হাদিসে হাত কাঁধ বরাবর রাখার স্পষ্ট বিবরণও পাওয়া যায়। ফলে কখন হাত তুলতে হবে আর কখন হবে না, তা সহজে আলাদা করা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত শুরুর তাকবীরে দুই হাত কাঁধ বরাবর তোলা হতো।
- রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে ওঠার সময়ও হাত তোলা হতো।
- রুকু থেকে উঠে নির্দিষ্ট হামদের বাক্য বলা হয়েছে।
- সিজদায় যাওয়া বা সিজদা থেকে ওঠার সময় এভাবে হাত তোলা হতো না।
