১১/৩৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯২৮ - ইমামের আমীনের সঙ্গে আমীন বলার ফজিলত

ইমামের উচ্চৈঃস্বরে ‘আ-মীন’ বলা

ইমাম আমীন বললে মুসল্লি কী করবেন

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯২৮

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدٍ، وَأَبِي سَلَمَةَ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا أَمَّنَ الْإِمَامُ فَأَمِّنُوا؛ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مَنْ ذَنْبِهِ»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন ইমাম 'আ-মীন' বলে তখন তোমরাও 'আ-মীন' বল। যার 'আ-মীন' বলা মালায়িকাহ্'র 'আ-মীন' বলার সাথে মিলে যায় তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯২৮-এর সারসংক্ষেপ

হাদিসটির নির্দেশ খুব সহজ ও স্পষ্ট। ইমাম যখন ‘আমীন’ বলেন, তখন মুসল্লিরাও ‘আমীন’ বলবেন। এরপর আমীনের একটি বড় ফজিলত জানানো হয়েছে: কারও আমীন ফেরেশতাদের আমীনের সঙ্গে মিলে গেলে তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। এখানে জামাতে নামাজে ইমামের অনুসরণের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ পাওয়া যায়। মুসল্লি সূরা ফাতিহার শেষ অংশ শুনে প্রস্তুত থাকবেন এবং ইমামের আমীনের সঙ্গে মিল রেখে আমীন বলবেন। হাদিসটি আমীনকে শুধু অভ্যাসগত উচ্চারণ হিসেবে নয়, মনোযোগের সঙ্গে সম্পন্ন একটি আমল হিসেবে তুলে ধরে। ক্ষমার এই সুসংবাদ মানুষকে আশা দেয়, তবে তা হাদিসে বর্ণিত সময়মতো আমীন বলার সঙ্গে যুক্ত। তাই নামাজে উপস্থিত মন, শুনে অনুসরণ এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমার আশা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইমামের আমীনের সঙ্গে মুসল্লিরাও আমীন বলবেন।
  • ফেরেশতাদের আমীনের সঙ্গে মিল হওয়ার কথা হাদিসে এসেছে।
  • আমীন বলা পূর্বের গুনাহ ক্ষমার কারণ হতে পারে।
  • জামাতে মনোযোগী থাকলে আমীনের সঠিক সময় ধরা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন