১১/৩৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯২৯ - সূরা ফাতিহা শেষে আমীন ও গুনাহ মাফ
ইমামের পেছনে ‘আ-মীন’ বলার নির্দেশ
সূরা ফাতিহা শেষে আমীন বললে যে ফজিলত
সুনানে আন-নাসায়ী : ৯২৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯২৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِذَا قَالَ الْإِمَامُ: {غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ} [الفاتحة: 7] فَقُولُوا: آمِينَ؛ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مَنْ ذَنْبِهِ "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন ইমাম "গয়রিল মাগযুবি 'আলায়হিম ওয়ালায যো-ল্লীন" বলেন, তখন তোমরা 'আ-মীন' বলবে। কারণ যার কথা মালায়িকাহ্'র কথার সাথে মিলে যাবে, তার আগের গুনাহ মার্জনা করা হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আমীন বলার সময়টি সূরা ফাতিহার শেষ অংশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ইমাম যখন ‘গয়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দল্লীন’ বলেন, তখন মুসল্লিদের ‘আমীন’ বলতে হবে। এরপর বলা হয়েছে, যার কথা ফেরেশতাদের কথার সঙ্গে মিলে যায়, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। অর্থাৎ মুসল্লিকে কিরাআতের শেষ অংশ মনোযোগ দিয়ে শুনে নির্ধারিত সময়ে আমীন বলতে হবে। হাদিসে দীর্ঘ কোনো পদ্ধতি বলা হয়নি; একটি ছোট আমল এবং তার বড় ফজিলত তুলে ধরা হয়েছে। এতে জামাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, সূরা ফাতিহা শোনা এবং আল্লাহর ক্ষমার আশা রাখা শেখা যায়। আমীন বলার সময় সম্পর্কে দ্বিধা হলে এই বর্ণনার স্পষ্ট বাক্যটি সহজ নির্দেশনা দেয়। ফলে আমীন বলার আগে সূরা ফাতিহার শেষ আয়াত সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ‘ওয়ালাদ্দল্লীন’ শেষ হলে আমীন বলতে হবে।
- মুসল্লির আমীন ফেরেশতাদের কথার সঙ্গে মিলতে পারে।
- সময়মতো আমীন বলা ক্ষমার কারণ হিসেবে বর্ণিত।
- সূরা ফাতিহা মনোযোগ দিয়ে শোনা এই আমলের প্রস্তুতি।
