৯/১৮৭. অধ্যায়ঃ
নামাযের ফযীলত
মহান আল্লাহ বলেছেন,﴿إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ﴾ (العنكبوت: ٤٥অর্থাৎ “নিশ্চয় নামায অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ হতে বিরত রাখে।” (আনকাবূত ৪৫ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ৩/১০৫১
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৩/১০৫১
وَعَنِ ابنِ مَسعُودٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلاً أَصَابَ مِنِ امْرَأَةٍ قُبْلَةً، فَأتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَأَنْزَلَ اللهُ تَعَالَى: ﴿ قم الصلاة طرفي النهار وزلفًا من الليل، إن الحسنات يذهبن السيئات﴾ (هود: ١١٤) فَقَالَ الرَّجُلُ أَلِيَ هَذَا ؟ قَالَ: «لِجَمِيعِ أُمَّتِي كُلِّهِمْ». متفقٌ عَلَيْهِ
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি এক মহিলাকে চুমা দিয়ে ফেলে। অতঃপর সে (অনুতপ্ত হয়ে) নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে ঘটনাটি বলে। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেন, যার অর্থ: “তুমি নামায প্রতিষ্ঠা কর দিবসের দুই প্রান্তে এবং রাত্রির প্রথম ভাগে, নিশ্চয় পুণ্য কর্মাদি পাপ-রাশিকে বিদূরিত করে থাকে।” (সূরা হুদ ১১৪ আয়াত) লোকটি বলল, ’এ বিধান কি কেবল আমার জন্য?’ তিনি বললেন, “আমার উম্মতের সকলের জন্য।” (বুখারী মুসলিম) [১]
মুসলিম ২২৮, নাসায়ী ১৪৬, ১৪৭, ৮৫৬, আহমাদ ৪৮৫, ৫০৫, ৫১৮
