৩/১০০. অধ্যায়ঃ
وَعَن عُمَرَ بنِ أبي سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «سَمِّ اللهَ، وَكُلْ بِيَمِينكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ». متفقٌ عَلَيْهِ
তিনি বলেন, (একদা খাবার সময়) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, ’’(শুরুতে) ’বিসমিল্লাহ’ বল, ডান হাত দ্বারা আহার কর এবং তোমার নিকট (সামনে) থেকে খাও।’’ (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৫৩৭৬, ৫৩৭৭, ৫৩৭৮, মুসলিম ২০২২, আবূ দাউদ ৩৭৭৭, ইবনু মাজাহ ৩২৬৭, আহমাদ ১৫৮৯৫, ১৫৯০২, মুওয়াত্তা মালেক ১৩৩৮, দারেমী ২০১৯, ২০৪৫
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «إِذَا أكَلَ أحَدُكُمْ فَلْيَذْكُرِ اسْمَ اللهِ تَعَالَى، فإنْ نَسِيَ أنْ يَذْكُرَ اسْمَ اللهِ تَعَالَى فِي أوَّلِهِ، فَلْيَقُلْ: بِسمِ اللهِ أوَّلَهُ وَآخِرَهُ». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তোমাদের কেউ যখন আহার করবে, সে যেন শুরুতে আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়। যদি শুরুতে আল্লাহর নাম নিতে ভুলে যায়, তাহলে সে যেন বলে ’বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু অ আখেরাহ।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী-হাসান সহীহ)[১]
আবূ দাউদ ৩৭৬৭, তিরমিযী ১৮৫৮, ইবনু মাজাহ ৩২৬৪, আহমাদ ২৫২০৫, ২৫৫৫৮, ২৫৭৬০, দারেমী ২০২০
وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ، يَقُولُ: «إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ، فَذَكَرَ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، وَعِندَ طَعَامِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ لأَصْحَابِهِ: لاَ مَبِيتَ لَكُمْ وَلاَ عَشَاءَ، وَإِذَا دَخَلَ فَلَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ: أدْرَكْتُمُ المَبِيتَ؛ وَإِذَا لَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ طَعَامِهِ، قَالَ: أدْرَكْتُم المَبِيتَ وَالعَشَاءَ». رواه مسلم
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, ’’কোন ব্যক্তি যখন নিজ বাড়ি প্রবেশের সময় ও আহারের সময় আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে; অর্থাৎ (’বিসমিল্লাহ’ বলে) তখন শয়তান তার অনুচরদেরকে বলে, ’আজ না তোমরা এ ঘরে রাত্রি যাপন করতে পারবে, আর না খাবার পাবে।’ অন্যথা যখন সে প্রবেশ কালে আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ’বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন শয়তান বলে, ’তোমরা রাত্রি যাপন করার স্থান পেলে।’ আর যখন আহার কালেও আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ’বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন সে তার চেলাদেরকে বলে, ’তোমরা রাত্রিযাপন স্থল ও নৈশভোজ উভয়ই পেয়ে গেলে।’’ (মুসলিম)[১]
মুসলিম ২০১৮, আবূ দাউদ ৩৭৬৫, ইবনু মাজাহ ৩৮৮৭, আহমাদ ১৪৩১৯, ১৪৬৮৮
وَعَن حُذَيْفَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا إِذَا حَضَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ طَعَاماً، لَمْ نَضَعْ أَيدِينَا حَتَّى يَبْدَأَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ فَيَضَعَ يَدَهُ، وَإنَّا حَضَرْنَا مَعَهُ مَرَّةً طَعَاماً، فَجَاءَتْ جَارِيَةٌ كَأنَّهَا تُدْفَعُ، فَذَهَبَتْ لِتَضَعَ يَدَهَا في الطَّعَامِ، فَأَخَذَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ بِيَدِهَا، ثُمَّ جَاءَ أَعْرَابِيّ كأنَّمَا يُدْفَعُ، فَأخَذَ بِيَدهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: « إنَّ الشَّيْطَانَ يَسْتَحِلُّ الطَّعَامَ أنْ لاَ يُذْكَرَ اسْمُ اللهِ تَعَالَى عَلَيْهِ، وَإنَّهُ جَاءَ بِهَذِهِ الجَارِيَةِ لِيَسْتَحِلَّ بِهَا، فأَخَذْتُ بِيَدِهَا، فَجَاءَ بِهَذَا الأَعرَابيّ لِيَسْتَحِلَّ بِهِ، فَأخذْتُ بِيَدِهِ، والَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إنَّ يَدَهُ فِي يَدِي مَعَ يَدَيْهِمَا» ثُمَّ ذَكَرَ اسْمَ اللهِ تَعَالَى وَأكَلَ. رواه مسلم
আমরা যখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এর সঙ্গে আহারে বসতাম, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাবারে হাত রেখে শুরু না করা পর্যন্ত আমরা তাতে হাত রাখতাম না (এবং আহার শুরু করতাম না)। একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে খাবারে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ একটি বাচ্চা মেয়ে এমনভাবে এল, যেন তাকে (পিছন থেকে) ধাক্কা দেওয়া হচ্ছিল এবং সে নিজ হাত খাবারে দিতে উদ্যত হয়েছিল, এমন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হাত ধরে নিলেন।তারপর এক বেদুঈনও (তদ্রূপ দ্রুত বেগে) এল, যেন তাকে ধাক্কা মারা হচ্ছিল (সেও খাবারে হাত রাখতে উদ্যত হলে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হাতও ধরে নিলেন এবং বললেন, ’’যে খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি, শয়তান সে খাদ্যকে হালাল মনে করে। আর এ মেয়েটিকে শয়তানই নিয়ে এসেছে, যাতে ওর বদৌলতে নিজের জন্য খাদ্য হালাল করতে পারে। কিন্তু আমি তার হাত ধরে ফেললাম। তারপর সে বেদুঈনকে নিয়ে এল, যাতে ওর দ্বারা খাদ্য হালাল করতে পারে। কিন্তু আমি ওর হাতও ধরে নিলাম। সেই মহান সত্তার কসম! যার হাতে আমার প্রাণ আছে, শয়তানের হাত ঐ দু’জনের হাতের সঙ্গে আমার হাতে (ধরা পড়েছিল)।’’ অতঃপর তিনি ’বিসমিল্লাহ’ বলে আহার করলেন। (মুসলিম)[১]
মুসলিম ২০১৭, তিরমিযী ১৮১২, ২৮৫৭, আবূ দাউদ ৩৭৩১, ৩৭৩৩, ইবনু মাজাহ ৩৪১০, আহমাদ ১৩৮১৬, ১৩৮৭১, ১৪০২৫, ১৪৫৯৭, ১৪৭১৭, মুওয়াত্তা মালেক ১৭২৭
وَعَنْ أُمَيَّةَ بْنِ مَخْشِيٍّ الصَّحَابِيِّ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ جَالساً، ورَجُلٌ يأْكُلُ، فَلَمْ يُسَمِّ اللهَ حَتّىٰ لَمْ يَبْقَ مِنْ طَعَامِهِ لُقْمَةٌ، فَلَمَّا رَفَعَهَا إِلىٰ فِيْهِ، قَالَ: بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، فَضَحِكَ النَّبِيُّ ﷺ، ثُمَّ قَالَ: «مَا زَالَ الشَّيْطَانُ يَأْكُلُ مَعَهُ، فَلمَّا ذَكَرَ اسْمَ اللهِ استْقَاءَ مَا فِيْ بَطْنِهِ». رواه أبو داود، والنسائي.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বসা ছিলেন এবং এক ব্যক্তি আল্লাহর নাম না নিয়েই খাবার খাচ্ছিলো। তার খাওয়া শেষ হতে আর কেবল এক লোকমা বাকি। এই শেষ লোকমাটি মুখে দেওয়ার সময় সে বললো, ’’বিস্মিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু’’ (আমি আল্লাহর নাম নিচ্ছি খাওয়ার শুরু এবং শেষভাগে)। এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হেসে দিলেন। তিনি বললেনঃ তার সাথে শয়তান বরাবর খাবার খেয়ে যাচ্ছিল। সে আল্লাহর নাম নেয়ার সাথে সাথেই শয়তানের পেটে যা কিছু ছিল, বমি করে সবকিছু ফেলে দিল। (আবু দাউদ, নাসায়ী)[১]
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল, কারণ এর মধ্যে মুসান্না ইবনু আব্দুর রহমান খুযা‘ঈ নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন তিনি মাজহূল যেমনটি ইবনুল মাদীনী বলেছেন। উল্লেখ্য এ ভাষায় হাদীসটি দুর্বল হলেও সহীহ্ হাদীসের মধ্যে আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, রসূল (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন খাবে তখন সে যেন আল্লাহর নাম নেই (বিসমিল্লাহ্ বলে)। যদি প্রথমে আল্লাহর নাম উল্লেখ করতে ভুলে যায় তাহলে সে যেন বলেঃ বিসমিল্লাহি আওয়ালুহু অআখেরুহু। [‘‘সহীহ্ আবী দাঊদ’’ (৩৭৬৭), ‘‘সহীহ্ ইবনু মাজাহ্’’ (৩২৬৪) ও ‘‘ইরওয়াউল গালীল’’ (১৯৬৫)]।
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَأكُلُ طَعَاماً فِي سِتَّةٍ مِنْ أصْحَابِهِ، فَجَاءَ أعْرَابِيٌّ، فَأكَلَهُ بلُقْمَتَيْنِ. فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : « أَمَا إنَّهُ لَوْ سَمَّى لَكَفَاكُمْ ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح
তিনি বলেন, ছয়জন সাহাবীর সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাদ্য আহার করছিলেন। এমন সময় এক বেদুঈন হাজির হল এবং সে দু’গ্রাসেই সমস্ত খাদ্য খেয়ে ফেলল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (এ সব দেখে) বললেন, ’’শোনো! যদি এ ব্যক্তি (শুরুতে) ’বিসমিল্লাহ’ বলত, তাহলে এই খাবারই তোমাদের সবার জন্য যথেষ্ট হত।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ)[১]
আবূ দাউদ ১৮৫৮, ৩৭৬৭, ইবনু মাজাহ ৩২৬৪, আহমাদ ২৪৫৮২, ২৫২০৫, ২৫৫৫৮, ২৫৭৬০, দারেমী ২০২০
وَعَن أَبي أُمَامَة رضي الله عنه: أنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ إِذَا رَفَعَ مَائِدَتَهُ، قَالَ: « الْحَمْدُ للهِ حَمداً كَثِيراً طَيِّباً مُبَاركَاً فِيهِ، غَيْرَ مَكْفِيٍّ، وَلاَ مُوَدَّعٍ، وَلاَ مُسْتَغْنَىً عَنْهُ رَبَّنَا ». رواه البخاري
নবী (ﷺ) যখন দস্তরখানা গুটাতেন, তখন এই দোয়া পড়তেনঃ- “আলহামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান ত্বাইয়্যিবাম মুবা-রাকান ফীহি গায়রা মাকফইয়্যিন অলা মুওয়াদ্দাইন অলা মুস্তাগনান আনহু রাববানা।” অর্থাৎ আল্লাহর জন্য অগণিত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। অকুণ্ঠ, নিরবচ্ছিন্ন, প্রয়োজন-সাপেক্ষ প্রশংসা। হে আমাদের প্রভু! (বুখারী) [১]
সহীহুল বুখারী ৫৪৫৮, ৫৪৫৯, তিরমিযী ৩৪৫৬, আবূ দাউদ ৩৮৪৯, ইবনু মাজাহ ৩২৮৪, আহমাদ ২১৬৬৪, ২১৬৯৬, ২১৭৫৩, ২১৭৯৮, দারেমী ২০২৩
وَعَن مُعَاذِ بنِ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: « مَنْ أكَلَ طَعَامَاً، فَقَالَ: الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أطْعَمَنِي هَذَا، وَرَزَقنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاَ قُوَّةٍ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن »
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি আহার শেষে এই দোয়া পড়বেঃ-’আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ব্আমানী হা-যা অরাযাক্বানীহি মিন গাইরি হাওলিম মিন্নী অলা ক্বুউওয়াহ।’ (অর্থাৎ সেই আল্লাহর যাবতীয় প্রশংসা যিনি আমাকে এ খাওয়ালেন এবং জীবিকা দান করলেন, আমার কোন চেষ্টা ও সামর্থ্য ছাড়াই) সে ব্যক্তির পূর্বের সমস্ত (ছোট) পাপ মোচন করে দেওয়া হবে।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান)[১]
আবূ দাউদ ৪২০৩, দারেমী ২৬৯০
৩/১০১. অধ্যায়ঃ
وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: مَا عَابَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ طَعَامَاً قَطُّ، إِنِ اشْتَهَاهُ أكَلَهُ، وَإنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ. متفقٌ عَلَيْهِ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনো কোন খাবারের দোষ বর্ণনা করেননি। ভাল লাগলে তিনি তা খেয়েছেন এবং খারাপ লাগলে তিনি তা ত্যাগ করেছেন।’ (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৪৫০৯, ৩৫৬৩, মুসলিম ২০৬৪, তিরমিযী ২০৩১, দাউদ ৩৭৬৩, ইবনু মাজাহ ৩২৫৯, আহমাদ ৯২২৩, ৯৭৯১, ৯৮৫৫, ৯৮৮২, ১০০৪৯
وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ سَأَلَ أهْلَهُ الأُدْمَ، فَقَالُوا: مَا عِنْدَنَا إِلاَّ خَلٌّ، فَدَعَا بِهِ، فَجَعَلَ يَأكُلُ، ويَقُولُ: «نِعْمَ الأُدْمُ الخَلُّ، نِعْمَ الأُدْمُ الخَلُّ ». رواه مسلم
নবী (ﷺ) নিজ পরিবারের কাছে তরকারি চাইলেন। তারা বলল, ’আমাদের নিকট সিরকা ছাড়া আর কিছুই নেই।’ তিনি তাই চাইলেন এবং (তা দিয়ে) আহার করতে থাকলেন ও বলতে থাকলেন, ’’সিরকা কতই না চমৎকার তরকারি। সিরকা কতই না ভাল ব্যঞ্জন।’’ (মুসলিম) [১]
মুসলিম ২৫০২