৯/১৮৭. অধ্যায়ঃ
নামাযের ফযীলত
মহান আল্লাহ বলেছেন,﴿إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ﴾ (العنكبوت: ٤٥অর্থাৎ “নিশ্চয় নামায অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ হতে বিরত রাখে।” (আনকাবূত ৪৫ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ৫/১০৫৩
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৫/১০৫৩
وَعَنْ عُثمَانَ بنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «مَا مِنِ امْرِئٍ مُسْلِمٍ تَحْضُرُهُ صَلاَةٌ مَكْتُوبَةٌ فَيُحْسِنُ وُضُوءَهَا ؛ وَخُشُوعَهَا، وَرُكُوعَهَا، إِلاَّ كَانَتْ كَفَّارَةً لِمَا قَبْلَهَا مِنَ الذُّنُوب مَا لَمْ تُؤتَ كَبِيرةٌ، وَذَلِكَ الدَّهْرَ كُلَّهُ». رواه مسلم
উসমান ইবনে আফ্ফান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি ফরয নামাযের জন্য ওজু করবে এবং উত্তমরূপে ওজু সম্পাদন করবে। (অতঃপর) তাতে উত্তমরূপে ভক্তি-বিনয়-নম্রতা প্রদর্শন করবে এবং উত্তমরূপে ’রুকু’ সমাধা করবে। তাহলে তার নামায পূর্বে সংঘটিত পাপ-রাশির জন্য কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত) হয়ে যাবে; যতক্ষণ মহাপাপে লিপ্ত না হবে। আর এ (রহমতে ইলাহির ধারা) সর্বযুগের জন্য প্রযোজ্য।” (মুসলিম) [১]
মুসলিম ২২৮, নাসায়ী ১৪৬, ১৪৭, ৮৫৬, আহমাদ ৪৮৫, ৫০৫, ৫১৮
