৯/১৯৩. অধ্যায়ঃ
ফরয নামাযসমূহের প্রতি যত্নবান হওয়ার নির্দেশ এবং তা ত্যাগ করা সম্বন্ধে কঠোর নিষেধ ও চরম হুমকি
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَىٰ﴾ (البقرة: ٢٣٨অর্থাৎ তোমরা নামাযসমূহের প্রতি যত্নবান হও; বিশেষ করে মধ্যবর্তী (আসরের) নামাযের প্রতি। (সূরা বাকারাহ ২৩৮ আয়াত)﴿ فَإِن تَابُواْ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ فَخَلُّواْ سَبِيلَهُمۡۚ ﴾ [التوبة: ٥]অর্থাৎ যদি তারা তওবা করে, যথাযথ নামায পড়ে ও যাকাত প্রদান করে, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। (সূরা তওবা ৫ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ৭/১০৮৭
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৭/১০৮৭
وَعَنْ شقِيق بن عبدِ الله التَّابِعيِّ المتَّفَقِ عَلَى جَلاَلَتِهِ رَحِمهُ اللهُ، قَالَ: كَانَ أصْحَابُ محَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم لاَ يَرَوْنَ شَيْئاً مِنَ الأعْمَالِ تَرْكُهُ كُفْرٌ غَيْرَ الصَّلاَةِ . رَوَاهُ التِّرمِذِيُّ في كِتابِ الإيمان بإسنادٍ صحيحٍ
সর্বজন মহামান্য শাক্বীক ইবনে আব্দুল্লাহ তাবেঈ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিতঃ
সর্বজন মান্য শাক্বীক ইবনে আব্দুল্লাহ তাবে’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ’মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সহচরবৃন্দ নামায ছাড়া অন্য কোনো আমল ত্যাগ করাকে কুফরীমূলক কাজ বলে মনে করতেন না।’ (তিরমিযী, কিতাবুল ঈমান, বিশুদ্ধ সানাদ)[১]
তিরমিযী ২৬২২
