৯/১৯৮. অধ্যায়ঃ
তাহাজ্জুদের নামায পড়ুক আর না পড়ুক ফজরের দু’ রাকআত সুন্নত পড়ে ডান পাশে শোয়া মুস্তাহাব ও তার প্রতি উৎসাহ দান।
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১১১৮
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১১১৮
وَعَنْها، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِيمَا بَيْنَ أَنْ يَفْرُغَ مِنْ صَلاَةِ العِشَاءِ إلَى الفَجْرِ إِحْدَى عَشرَةَ رَكْعَةً، يُسَلِّمُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، وَيُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ، فَإِذَا سَكَتَ المُؤَذِّنُ مِنْ صَلاَةِ الفَجْرِ، وَتَبَيَّنَ لَهُ الفَجْرُ، وَجَاءهُ المُؤَذِّنُ، قَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَينِ، ثُمَّ اضْطَجَعَ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ، هكَذَا حَتَّى يأْتِيَهُ المُؤَذِّنُ لِلإِقَامَةِ . رَوَاهُ مُسلِم
উক্ত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিতঃ
উক্ত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতেই বর্ণিত, তিনি বলেন, ’নবী (ﷺ) এশার নামায শেষ করার পর থেকে নিয়ে ফজরের নামায অবধি এগার রাকআত (তাহাজ্জুদের নামায পড়তেন)। প্রত্যেক দু’ রাকআতে সালাম ফিরতেন এবং এক রাকআত বিতির পড়তেন। অতঃপর যখন মুয়াজ্জিন ফজরের নামাযের আযান দিয়ে চুপ হত এবং ফজর তাঁর সামনে উজ্জ্বল হয়ে উঠত, আর মুয়াজ্জিন (ফজরের সময় সম্পর্কে অবহিত করার জন্য) তাঁর কাছে আসত, তখন তিনি উঠে সংক্ষিপ্তভাবে দু’ রাকআত নামায পড়ে নিতেন। তারপর ডান পার্শে শুয়ে (জিরিয়ে) নিতেন। এইভাবে মুয়াজ্জিন নামাযের তাকবীর দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে হাযির হওয়া পর্যন্ত (তিনি শুয়ে থাকতেন)।’ (মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬২৬, ৯৯৪, ১১৫৪, ১১৬৫, ৬৩১০, মুসলিম ৭৩৬, তিরমিযী ৪৪০, ৪৫৯, নাসায়ী ৬৮৫, ৯৪৬, ১৬৯৬, ১৭১৭, ১৭২৩, ১৭৪৯, ১৭৫৬, ১৭৬২, ১৭৮০, ১৭৮১, আবূ দাউদ ১২৫৪, ১২৫৫, ১২৬২, ১৩৩৪-১৩৩৬, ১৩৩৮-১৩৪০, ১৩৪২, ১৩৫৯, ১৩৬০, ইবনু মাজাহ ১৩৫৭, ১৩৫৯, আহমাদ ২৩৫৩৭, ২৩৫৫০, ২৩৫৫৩, ২৩৫৯৬, ২৩৯৪০, মুওয়াত্তা মালিক ২৬৪, ২৬৬, ২৮৬, দারেমী ১৪৪৭, ১৪৭৩, ১৪৭৪, ১৫৮৫, ১৫৮১
