৯/২২৭. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/১২৬১ - আশুরার রোজা ও নবম মুহাররমের শিক্ষা
আরাফা ও মুহাররম মাসের নবম ও দশম তারিখে রোযা রাখার ফযীলত
আশুরার রোজা: নবম ও দশম মুহাররমের সুন্নাহ শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ৪/১২৬১
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৪/১২৬১
وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ «لَئِنْ بَقِيتُ إِلَى قَابِلٍ لأَصُومَنَّ التَّاسِعَ». رواه مسلم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহাররম মাসের নবম তারিখে অবশ্যই রোজা রাখব।” (অর্থাৎ নবম ও দশম দু’দিন ব্যাপী রোজা রাখব।) (মুসলিম)[১]
মুসলিম ১১৩৪, আবূ দাউদ ২৪৪৫, আহমাদ ২১০৭, ২৬৩৯, ২৮২৭, ২১০২, ৩১৫৪, দারেমী ১৭৫৯
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/১২৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আগামী বছর বেঁচে থাকলে মুহাররম মাসের নবম তারিখে রোজা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। অনুবাদে পরিষ্কার করা হয়েছে, এর অর্থ নবম ও দশম—দুই দিন রোজা রাখা। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আশুরার রোজা এবং মুহাররমের নফল রোজার গুরুত্ব। এখানে বড় শিক্ষা হলো, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) শুধু একটি আমল করেননি, বরং ভবিষ্যতে আরও সুন্দরভাবে তা করার ইচ্ছাও করেছেন। একজন মুসলিমের জন্য এটি সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসার পরিচয়। আশুরার রোজা নিয়ে খোঁজ করা মানুষ সাধারণত জানতে চান, আশুরার রোজা কয়টি, ৯ ও ১০ মুহাররম রোজার নিয়ম কী, এবং নবম মুহাররমের রোজার দলিল কী। এই হাদিস সেই প্রশ্নের সহজ উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আশুরার রোজার সঙ্গে নবম মুহাররম রোজা রাখার ইচ্ছা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) প্রকাশ করেছেন।
- ভালো আমলের পরিকল্পনা করাও মুমিনের সুন্দর গুণ।
- নফল রোজার ক্ষেত্রে সুন্নাহর নির্দেশনা জানা ও অনুসরণ করা জরুরি।
- মুহাররম মাসে রোজার আমলকে গুরুত্ব দেওয়া যায়।
