৯/২৩০. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৫/১২৭০ - ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোজা
প্রত্যেক মাসে তিনটি করে রোযা রাখা মুস্তাহাব, প্রতি মাসে শুক্ল পক্ষের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা পালন করা উত্তম।। অন্য মতে ১২,১৩, ও ১৪ তারিখে। প্রথমোক্ত মতটিই প্রসিদ্ধ ও বিশুদ্ধ।
আইয়ামে বীজের রোজা: ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের নফল আমল
রিয়াদুস সালেহীন : ৫/১২৭০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৫/১২৭০
وَعَنْ أَبي ذَرٍّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ : «إِذَا صُمْتَ مِنَ الشَّهْرِ ثَلاَثاً، فَصُمْ ثَلاَثَ عَشْرَةَ، وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن
আবূ জর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “প্রত্যেক মাসে (নফল) রোজা পালন করলে (শুক্লপক্ষের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে পালন করো।” (তিরমিযী হাসান)[১]
তিরমিযী ৭৬১, নাসায়ী ২৪২৪
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্-নাবাবী (রহ.)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৫/১২৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রত্যেক মাসে নফল রোজা পালন করলে শুক্লপক্ষের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে পালন করো। এই তিন দিনকে সাধারণভাবে আইয়ামে বীজের রোজা বলা হয়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মাসে তিন রোজা রাখতে চাইলে এই তারিখগুলো বেছে নেওয়া উত্তম নির্দেশনার মধ্যে পড়ে। এখানে রোজার সংখ্যা ও তারিখ দুটোই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। যারা আইয়ামে বীজের রোজা, ১৩ ১৪ ১৫ তারিখের রোজা, বা প্রতি মাসে তিন রোজার নিয়ম জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব দরকারি। তবে ব্যাখ্যায় এটুকুই বলা উচিত যে হাদিসে এই তারিখগুলোতে রোজা রাখার নির্দেশ এসেছে; এর বাইরে বাড়তি কথা যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাসে তিন রোজার জন্য ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের নির্দেশ এসেছে।
- আইয়ামে বীজের রোজা দলিলভিত্তিক নফল আমল।
- নফল রোজার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সুন্নাহ পদ্ধতি জানা দরকার।
- রোজার তারিখ সম্পর্কে সরাসরি হাদিস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
