১৮/৩১৪. অধ্যায়ঃ
গায়রুল্লাহর নামে শপথ করা নিষেধ
আল্লাহ ছাড়া কোন সৃষ্টি; যেমন পয়গম্বর, কা’বা, ফিরিশ্তা, আসমান, বাপ-দাদা, জীবন, আত্মা, মাথা, রাজার জীবন, রাজার অনুগ্রহ, অমুকের কবর, আমানত প্রভৃতির কসম খাওয়া নিষেধ। আমানতের কসম অধিকতর কঠিন-ভাবে নিষিদ্ধ।
রিয়াদুস সলেহিন : ৪/১৭১৯
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৪/১৭১৯
وَعَنْه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَلَفَ فَقَالَ: إِنِّي بَرِيءٌ مِنَ الإِسْلاَمِ، فَإِنْ كَانَ كَاذِباً، فَهُوَ كَمَا قَالَ، وَإِنْ كَانَ صَادِقاً، فَلَنْ يَرْجِعَ إِلَى الإِسْلاَمِ سَالِماً». رواه أَبُو داود
উক্ত রাবী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি কসম খেয়ে বলল যে, ’আমি ইসলাম হতে [দায়] মুক্ত।’ অতঃপর যদি [তাতে] সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে তেমনি হবে, যেমন সে বলেছে। আর যদি সে [তাতে] সত্যবাদী হয়, তাহলে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না।’’[আবূ দাঊদ][১][কেউ যদি কসম খেয়ে বলে যে, ’এই কাজ করলে, আমি মুসলিম নই।’ অতঃপর সে তাতে মিথ্যাবাদী হয়, অর্থাৎ সেই কাজ করে ফেলে, তাহলে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে; যদি মনে সত্যই সেই নিয়ত করে থাকে। নচেৎ কেবল তাকীদ উদ্দেশ্য হলে মহাপাপ গণ্য হবে। পক্ষান্তরে কেউ যদি তার কসমে সত্যবাদী হয়, অর্থাৎ সেই কাজ সে না করে, তাহলেও সে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না। কারণ ইসলাম নিয়ে এরূপ কসমের খেলা বৈধ নয়।]
আবূ দাউদ ৩২৫৮, নাসায়ী ৩৭৭২, ইবনু মাজাহ ২১০০, আহমাদ ২২৪৯৭
