৭/১৫৯. অধ্যায়ঃ
মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার কাফন-দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা প্রসঙ্গে। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করা কর্তব্য
রিয়াদুস সলেহিন : ২/৯৫১
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/৯৫১
عن حُصَيْنِ بن وحْوَحٍ رضي الله عنه أَنْ طَلْحَةَ بنَ الْبُرَاءِ بن عازب رضِي اللهُ عنْهما مَرِض، فَأتَاهُ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُهُ فَقَالَ: «إنّي لا أُرَى طَلْحةَ إلاَّ قدْ حَدَثَ فِيهِ المَوْتُ فَآذِنُوني بِهِ وَعَجِّلُوا بِهِ، فَإنَّهُ لا يَنْبَغِي لجِيفَةِ مُسْلِمٍ أنْ تُحْبَسَ بَيْنَ ظَهْرَانَيْ أَهْلِهِ » . رواه أبو داود .
হুসাইন ইবনু ওয়াহ্ওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ত্বালহা ইবনুল বারা (রাঃ) রোগগ্রস্ত হয়ে পড়লে নবী (ﷺ) তাঁকে দেখতে গেলেন। তিনি বললেনঃ ত্বালহার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, তার বিষয়ে এছাড়া আমি আর কিছুই চিন্তা করি না। আমাকে তার মৃত্যুর খবর জানাবে। আর তার দাফন-কাফনের কাজ দ্রুত সমাধা করবে। কারণ, মুসলিমের লাশ তার পরিবারবর্গের নিকট আটকে রাখা উচিত নয়। (আবূ দাউদ)[১]
আমি (আলবানী) বলছিঃ এর সনদটি দুর্বল যেমনটি ‘‘আহকামুল জানায়েয’’ গ্রন্থে (পৃ ১৩-১৪) এবং ‘‘য‘ঈফাহ্’’ গ্রন্থে (৩২৩২) আলোচনা করেছি। এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। হুসাইন ইবনু অহ্অহ্ এর নিচের বর্ণনাকারীদেরকে চেনা যায় না। হাফিয ইবনু হাজার ‘‘উরওয়া ইবনু সা‘ঈদ আনসারী এবং তার পিতা সম্পর্কে বলেনঃ তারা উভয়েই মাজহূল (অপরিচিত)। আর সা‘ঈদ ইবনু উসমান বালাওয়ী হচ্ছেন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) (অর্থাৎ মুতাবা‘য়াত পাওয়া যাওয়ার শর্তে)। এ ছাড়াও বালাওয়ী থেকে ঈসা ইবনু ইউনুস ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি। আর ইবনু হিববান ছাড়া অন্য কেউ তাকে নির্ভরযোগ্যও আখ্যা দেননি। [দেখুন ‘‘য‘ঈফাহ্’’ (৩২৩২), আবূ দাউদ ৩১৫৯।
