১/১. অধ্যায়ঃ
সিলসিলা সহিহা হাদিস ২৯ - নম্রতার বিনিময়ে নম্রতা
উত্তম চরিত্র, অনুকম্পা ও (আত্মীয়তার) সম্পর্ক বজায় রাখা প্রসংগ
নম্রতার হাদিস: মানুষের সঙ্গে কোমল আচরণের শিক্ষা
সিলসিলা সহিহা : ২৯
সিলসিলা সহিহাহাদিস নম্বর ২৯
আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আব্বাস (রাঃ) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণিত; তুমি নম্রতা প্রদর্শন কর তোমার প্রতি নম্রতা প্রদর্শন করা হবে।
আহমাদ- ১/২৪৮; মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আর-রাবি’য়ী তাঁর ‘জুজ’উ মিন হাদীসিহু’ ২/২১২। আলবানী (রহঃ) বলেন: “এর বর্ণনাকারীগণ ছিক্বাহ, যদিও ওয়ালিদ ‘আন’আনাহ বর্ণনা করেছেন।” অতঃপর এর সমর্থনে অন্যান্য মুত্তাসিল ও সহীহ্ সানাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আস-সহীহাহ-১৪৫৬) হাদীসটি সহীহ।
সিলসিলা সহিহা হাদিস ২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই সহীহ হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা খুব গভীর। আব্বাস (রাঃ) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণিত, “তুমি নম্রতা প্রদর্শন কর, তোমার প্রতি নম্রতা প্রদর্শন করা হবে।” এখানে মূল বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে আচরণে কোমলতা। নম্রতা মানে দুর্বলতা নয়; বরং কথা, ব্যবহার ও সিদ্ধান্তে অহংকার কমানো। পরিবার, আত্মীয়, প্রতিবেশী বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কঠোরতা না দেখিয়ে নম্র আচরণ করলে সম্পর্ক সহজ হয়। “নম্রতার হাদিস” বা “কোমল আচরণের ফজিলত” খুঁজলে এই বর্ণনা খুব সহজভাবে আমাদের নিজের আচরণ যাচাই করতে শেখায়। মানুষ সাধারণত সেই আচরণই ফিরে পায়, যা সে অন্যের সঙ্গে করে। তাই মুমিনের ভাষা, মুখভঙ্গি ও ব্যবহার যেন নরম হয়—এটাই এই হাদিসের সরল বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মানুষের সঙ্গে নম্র আচরণ করা উচিত।
- নম্রতা সম্পর্ককে সহজ ও সুন্দর করতে সাহায্য করে।
- কঠোরতা নয়, কোমলতা ভালো চরিত্রের অংশ।
- নিজের আচরণ অন্যের প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
