১/১. অধ্যায়ঃ
সিলসিলা সহিহা হাদিস ৪ - অতি ঝগড়াটে স্বভাবের ক্ষতি
উত্তম চরিত্র, অনুকম্পা ও (আত্মীয়তার) সম্পর্ক বজায় রাখা প্রসংগ
অতি ঝগড়াটে ব্যক্তি: চরিত্র সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
সিলসিলা সহিহা : ৪
সিলসিলা সহিহাহাদিস নম্বর ৪
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী কারীম (ﷺ) বলেনঃ অতি ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি।
হাদীসটি আয়িশা (রাঃ) মারফু’ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম বুখারী তাঁর “সহীহ বুখারি” হা. ৪৫২৩, ফাতহুল বারী হা. ৭১৮৮; সহীহ মুসলিম- ৮/৫৭; তার -এর(১/৮১) তার কিতাবের ২৭৩; (১২৪৩) তিরমিযী হা. ২৯৭২; নাসাঈ- ২/৩১১ (হা. ৫৪২৩); ইবনু হিব্বান হা. ৫৬৬৭; বায়হাক্বী-১০/১০৮; বায়হাক্বীর ‘আল-আসমা ওয়াস-সিফাত’ হা. ৫০১; আহমাদ ৬/৫৫, ৬৩ ২০৫; মিশকাত (এমদাদিয়া লাইব্রেরী, ঢাকা) ৭/৩৫৮৯। (আস্ সহীহাহ-৩৯৭০) হাদীসটি সহীহ্।
সিলসিলা সহিহা হাদিস ৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতি ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি। কথাটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা বড়। ঝগড়া মানুষের সম্পর্ক নষ্ট করে, কথা কঠিন করে এবং মনকে রাগের দিকে নিয়ে যায়। এখানে সাধারণ মতভেদ নয়, বরং অতি ঝগড়াটে স্বভাবের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ যে মানুষ অকারণে বা বেশি বেশি তর্কে জড়ায়, তার চরিত্রের মধ্যে বড় সমস্যা থাকে। হাদিসটি সহীহ বলা হয়েছে। তাই মুসলিম জীবনে ঝগড়া এড়ানো, নরম কথা বলা এবং নিজের রাগ সামলানো খুব দরকার। অতি ঝগড়াটে ব্যক্তি হাদিস আমাদের শেখায়, সত্য কথা বলার সময়ও আচরণ সুন্দর রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অতি ঝগড়াটে স্বভাব আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয়।
- মতভেদ হলে তর্ক বাড়িয়ে না দিয়ে সংযম রাখা উচিত।
- ঝগড়া মানুষের সম্পর্ক দুর্বল করতে পারে।
- ভালো চরিত্রের জন্য কথা ও রাগ নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
