নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর সাহাবীগণ

মোট হাদিস ১৮৩

নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর সাহাবীগণ এবং তাঁদের বিশেষ মর্যাদা

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রিয় সাহাবীগণের বিশেষ মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়েছে। বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সাহাবীদের মধ্যে হযরত আবু বকর (রাঃ) ছিলেন সবচেয়ে উত্তম ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সর্বাধিক প্রিয় ব্যক্তিত্ব। উমর (রাঃ) এবং আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ (রাঃ)-এর নামও তাঁর প্রিয় সাহাবীদের তালিকায় অন্যতম শীর্ষস্থানে রয়েছে। জান্নাতে তাঁদের জন্য রয়েছে সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান ও বিশেষ রহমত। ইসলামের জন্য আবু বকর (রাঃ) নিজের সম্পদ ও সাহচর্য দিয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন। যদিও নবীজী (ﷺ) একমাত্র আল্লাহকেই তাঁর অন্তরঙ্গ বন্ধু বা খলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন, তবুও সাহাবীদের সাথে ঈমানের গভীর ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার বন্ধন ছিল অতুলনীয়, যা প্রতিটি মুসলিমের জন্য শিক্ষণীয়।

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ «هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ إِلاَّ النَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ». قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু বাক্‌র ও 'উমর (রাঃ) প্রসঙ্গে বলেছেনঃ এরা দু'জন নাবী-রাসূলগণ ছাড়া পূর্বাপর জান্নাতের সকল বয়স্কদের নেতা হবেন।

আবু 'ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান গারীব।

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ يَخْرُجُ عَلَى أَصْحَابِهِ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارِ وَهُمْ جُلُوسٌ فِيهِمْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَلاَ يَرْفَعُ إِلَيْهِ أَحَدٌ مِنْهُمْ بَصَرَهُ إِلاَّ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَإِنَّهُمَا كَانَا يَنْظُرَانِ إِلَيْهِ وَيَنْظُرُ إِلَيْهِمَا وَيَتَبَسَّمَانِ إِلَيْهِ وَيَتَبَسَّمُ إِلَيْهِمَا .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ الْحَكَمِ بْنِ عَطِيَّةَ . وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُهُمْ فِي الْحَكَمِ بْنِ عَطِيَّةَ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর মুহাজির ও আনসার সাহাবীদের আবূ বাক্‌র ও উমরসহ বসা অবস্থায় তাঁদের নিকট আসতেন। কিন্তু আবূ বাক্‌র ও উমর (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে চোখ তুলে তাকাতেন না। অথচ তাঁরা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে তাকাতেন এবং তিনিও তাঁদের উভয়ের দিকে তাকাতেন। তাঁরা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসতেন এবং তিনিও তাঁদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসতেন।

আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু হাকাম ইবনু আতিয়্যার সূত্রে এ হাদীস জেনেছি। কোন কোন হাদীস বিশারদ হাকাম ইবনু আতিয়্যার সমালোচনা করেছেন।

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «دَخَلْتُ الْجَنَّةَ فَإِذَا أَنَا بِقَصْرٍ مِنْ ذَهَبٍ فَقُلْتُ لِمَنْ هَذَا الْقَصْرُ قَالُوا لِشَابٍّ مِنْ قُرَيْشٍ فَظَنَنْتُ أَنِّي أَنَا هُوَ فَقُلْتُ وَمَنْ هُوَ فَقَالُوا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ " . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নাবী (ﷺ) বলেনঃ মি’রাজের রাতে আমি জান্নাতে প্রবেশ করে তাতে একখানা সোনার বালাখানা প্রত্যক্ষ করলাম। আমি প্রশ্ন করলাম, এ বালাখানা কার? ফেরেশতারা বললেন, কুরাইশের এক যুবকের। আমি ধারণা করলাম, আমিই সেই যুবক। আমি প্রশ্ন করলামঃ কে সেই যুবক? ফেরেশতারা বললেন, ‘উমর ইবনুল খাত্তাব।

আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ رُبَّمَا قَالَ لِيَ النَّبِيُّ ﷺ «يَا ذَا الأُذُنَيْنِ» . قَالَ أَبُو أُسَامَةَ يَعْنِي يُمَازِحُهُ .قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) প্রায়ই আমাকে বলতেনঃ হে দুই কানের অধিকারী। আবূ উসামাহ্‌ বলেন, অর্থাৎ তাঁর সাথে তিনি (এ কথা বলে) রসিকতা করতেন।

আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ।

حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ الطَّائِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي نَصْرٍ، عَنْ أَنَسٍ، رضى الله عنه قَالَ كَنَّانِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بِبَقْلَةٍ كُنْتُ أَجْتَنِيهَا .قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ الْجُعْفِيِّ عَنْ أَبِي نَصْرٍ . وَأَبُو نَصْرٍ هُوَ خَيْثَمَةُ الْبَصْرِيُّ رَوَى عَنْ أَنَسٍ أَحَادِيثَ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি সবজির নামানুসারে আমার নামের উপনাম রাখেন, সে সবজি তুলে আনতাম।

আবূ ঈসা বলেন: এ হাদীসটি গারীব। শুধু জাবির আল-জুফী হতে আবূ নাসর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত হিসেবে আমরা হাদীস জেনেছি। আবূ নাসর হলেন খাইসামা ইবনু আবূ খাইসামা আল-বাসরী, তিনি আনাস (রাঃ) হতে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا حُمِلَتْ جَنَازَةُ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ قَالَ الْمُنَافِقُونَ مَا أَخَفَّ جَنَازَتَهُ. وَذَلِكَ لِحُكْمِهِ فِي بَنِي قُرَيْظَةَ فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ ﷺ فَقَالَ " إِنَّ الْمَلاَئِكَةَ كَانَتْ تَحْمِلُهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ.

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যখন সা’দ ইবনু মু’আযের জানাযা (লাশ) বয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সে সময় মুনাফিক্বরা বলে, কতই না হালকা তাঁর মৃতদেহটি। তাদের এমন মন্তব্যের কারণ ছিল বানূ কুরাইযা প্রসঙ্গে তাঁর ফাইসালা। নবী (ﷺ)-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই ফেরেশতারা তাঁর জানাযা (লাশ) বহন করতেছিলেন (তাই হালকা মনে হচ্ছিলো)।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْزُوقٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ مِنَ النَّبِيِّ ﷺ بِمَنْزِلَةِ صَاحِبِ الشُّرَطِ مِنَ الأَمِيرِ . قَالَ الأَنْصَارِيُّ يَعْنِي مِمَّا يَلِي مِنْ أُمُورِهِ .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ الأَنْصَارِيِّ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

ক্বাইস ইবনু সা’দ (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর জন্য শাসকের দেহরক্ষীর মত ছিলেন। (অধঃস্তন বর্ণনাকারী) মুহাম্মাদ ইবনু আবী ‘আবদিল্লাহ আল-আনসারী বলেন, তিনি রাসুলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর অনেক কাজ সমাধা করতেন।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস আমরা শুধু আনসারীর বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে জেনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া-মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদিল্লাহ্‌ আল-আনসারীর সনদে একই রকম বর্ণনা করেছেন। তবে এই সনদে আনসারীর বক্তব্য উল্লেখ করেননি।

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنِ النَّضْرِ أَبِي عُمَرَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ " اللَّهُمَّ أَعِزَّ الإِسْلاَمَ بِأَبِي جَهْلِ بْنِ هِشَامٍ أَوْ بِعُمَرَ» . قَالَ فَأَصْبَحَ فَغَدَا عُمَرُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَأَسْلَمَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُهُمْ فِي النَّضْرِ أَبِي عُمَرَ وَهُوَ يَرْوِي مَنَاكِيرَ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ .

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ “হে আল্লাহ! আবু জাহল ইবনু হিশাম অথবা উমর ইবনুল খাত্তাবের মারফত ইসলামকে শক্তিশালী কর"। রাবী বলেনঃ পরের দিন সকালে উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট হাজির হয়ে ইসলাম কবুল করেন।

আবু ঈসা বলেনঃ উপরোক্ত সূত্রে এ হাদীসটি গারীব। কিছু মুহাদিস আন-নাযর আবু উমরের সমালোচনা করেছেন। তিনি মুনকার হাদীস বর্ণনা করেন। অত্যন্ত দুর্বল, মিশকাত (৬০৩৬)

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُخْتَارِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بَلْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَمَرَ بِسَدِّ الأَبْوَابِ إِلاَّ بَابَ عَلِيٍّ . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ عَنْ شُعْبَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) (মসজিদে) ‘আলী (রাঃ)-এর দ্বার ছাড়া সকল দ্বার বন্ধ করার হুকুম দিয়েছেন।

আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র শু’বাহ্ হতে উক্ত সনদে এভাবেই জানতে পেরেছি।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُخْتَارِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بَلْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَوَّلُ مَنْ صَلَّى عَلِيٌّ . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي بَلْجٍ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ حُمَيْدٍ. وَأَبُو بَلْجٍ اسْمُهُ يَحْيَى بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ. وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي هَذَا فَقَالَ بَعْضُهُمْ أَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ أَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ عَلِيٌّ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ أَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ مِنَ الرِّجَالِ أَبُو بَكْرٍ وَأَسْلَمَ عَلِيٌّ وَهُوَ غُلاَمٌ ابْنُ ثَمَانِ سِنِينَ وَأَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ مِنَ النِّسَاءِ خَدِيجَةُ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

(ইসলাম গ্রহণ করে) ‘আলী (রাঃ)-ই সর্বপ্রথম নামাজ আদায় করেন।

আবূ 'ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র শু'বাহ্ হতে, আবূ বাল্‌জের সনদে বর্ণিত মুহাম্মাদ ইবনু হুমাইদের হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে এটি অবগত হয়েছি। আবূ বাল্‌জের নাম ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আবী সুলাইম। বিশেষজ্ঞ আলিমগণ এ বিষয়ে মতভেদ করেছেন যে, কে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেছেন? কিছু বিশেষজ্ঞ বলেন, আবূ বাক্‌র সিদ্দীক্ব (রাঃ) সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আর কিছু বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘আলী (রাঃ) সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম বলেন, বয়স্ক পুরুষদের মাঝে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন আবূ বাক্‌র আস সিদ্দীক্ব (রাঃ)। ‘আলী (রাঃ) আট বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন। আর মহিলাদের মাঝে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন উম্মুল মু’মিনীন খাদীজাহ্ (রাঃ)।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন