নবীদের কাহিনী
মোট হাদিস ১৫৮
সহীহ হাদিসের আলোতে নবীদের কাহিনী ও তাঁদের জীবনের শিক্ষণীয় ঘটনা
আম্বিয়া আলাইহিস সালাম বা নবীগণের সত্যনিষ্ঠ জীবন ও নানা পরীক্ষার বিবরণ জানতে এই নির্ভরযোগ্য হাদিসগুলো অত্যন্ত অর্থবহ। সহীহ হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইসলামে আল্লাহ প্রেরিত প্রত্যেক নবীর মর্যাদা অপরিসীম; এমনকি শেষ নবী (ﷺ) নিজের বিনয় প্রকাশ করে হযরত ইউনুস (আঃ) এবং হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর বিশেষ গুণাবলীর প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের দরবারে আবু সুফিয়ানের ঐতিহাসিক সাক্ষ্য থেকে প্রমাণিত হয় যে, সমস্ত রসূলগণ উচ্চ বংশে জন্ম নেন, কখনও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না এবং সত্যের পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত তাঁরাই বিজয়ী হন। ইসলামী পণ্ডিতদের মতে, প্রত্যেক নবীর অন্তিম সময়ে দুনিয়া ও আখিরাতের যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার অবকাশ দেওয়া এবং আল্লাহর বিশেষ সাহায্য আসার পূর্বে রসূলগণের মানবিক ব্যাকুলতা প্রকাশ পাওয়া এই হাদিসগুলোর অন্যতম মূল শিক্ষা।
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ سَمِعْتُ مُخْتَارَ بْنَ فُلْفُلٍ، مَوْلَى عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ . بِمِثْلِهِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
ই.ফা. ৫৯২৬, ই.সে. ৫৯৬৪
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الْمُخْتَارِ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) হতে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন।
ই.ফা. ৫৯২৭, ই.সে. ৫৯৬৫
وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ، أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، كِلاَهُمَا عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، حوَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، التَّيْمِيِّ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَرَرْتُ عَلَى مُوسَى وَهُوَ يُصَلِّي فِي قَبْرِهِ " . وَزَادَ فِي حَدِيثِ عِيسَى " مَرَرْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মূসা (আঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন তিনি তাঁর কবরে সালাত আদায় করছিলেন। ‘ঈসার হাদীসে বর্ধিত আছে যে, “আমাকে যে রাত্রে মিরাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সে রাত্রে আমি যাচ্ছিলাম।”
ই.ফা. ৫৯৪৩, ই.সে. ৫৯৮২
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ : ( فَلََمَّا تَجَلَّى رَبُّهُ لِلْجَبَلِ جَعَلَهُ دَكًّا ) قَالَ حَمَّادٌ هَكَذَا وَأَمْسَكَ سُلَيْمَانُ بِطَرَفِ إِبْهَامِهِ عَلَى أَنْمُلَةِ إِصْبَعِهِ الْيُمْنَى قَالَ فَسَاخَ الْجَبَلُ ( وخَرَّ مُوسَى صَعِقًا ﴿ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এ আয়াত পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “যখন তাঁর প্রতিপালক পাহাড়ের উপর জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল’’ —(সূরা আল-আ’রাফ ১৪৩)।হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন এবং সুলাইমান বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলোর মাথা স্পর্শ করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই জ্যোতিতে পাহাড় ধ্বসে গেল এবং মূসা (আঃ) চেতনা হারিয়ে ফেললেন।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদিসটি হাসান সহীহ গারীব। হাম্মাদ ইবনু সালামার রিওয়ায়াত ব্যতীত অন্য কোনোভাবে আমরা এটিকে জানতে পারিনি। ‘আবদুল ওয়াহ্হাব আল-ওয়াররাক আল-বাগদাদী- মু’আয ইবনু মু’আয হতে, তিনি হাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ হতে, তিনি সাবিত হতে, তিনি আনাস (রাঃ) হতে, তিনি নবী (ﷺ) হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। আবূ ‘ঈসা বলেন, এই সনদে বর্ণিত হাদিসটি হাসান।
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، حَدَّثَهُ قَالَ قُلْتُ لِلنَّبِيِّ ﷺ وَنَحْنُ فِي الْغَارِ لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ يَنْظُرُ إِلَى قَدَمَيْهِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ. فَقَالَ " يَا أَبَا بَكْرٍ مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا " .قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا يُعْرَفُ مِنْ حَدِيثِ هَمَّامٍ تَفَرَّدَ بِهِ. وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هَمَّامٍ نَحْوَ هَذَا.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ বাকর (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, আমি নবী (ﷺ) -কে (সাওর) গিরিগুহায় অবস্থান কালে বললাম, যদি কাফিরদের কেউ তার পদদ্বয়ের দিকে (নিচের দিকে) তাকায় তাহলে সে নিশ্চিত আমাদেরকে তার পায়ের নিচেই দেখবে। তিনি বললেনঃ হে আবূ বাকর! যে দু'জনের সাথে তৃতীয়জন হিসেবে আল্লাহ তা'আলা আছেন সে দু'জনের ব্যাপারে আপনার কি ধারণা?
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব। এ হাদীসটি হাম্মামের সূত্রেই বর্ণিত আছে। একমাত্র তিনিই এটি বর্ণনা করেছেন। হাব্বান ইবনু হিলাল প্রমুখও হাম্মামের সূত্রে এ হাদীস একই রকম বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ أُتِيَ بِالْبُرَاقِ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِهِ مُلْجَمًا مُسْرَجًا فَاسْتَصْعَبَ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ جِبْرِيلُ أَبِمُحَمَّدٍ تَفْعَلُ هَذَا فَمَا رَكِبَكَ أَحَدٌ أَكْرَمُ عَلَى اللَّهِ مِنْهُ قَالَ " فَارْفَضَّ عَرَقًا " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে রাতে নবী (ﷺ) -কে (মিরাজে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে তাঁর সামনে জিনপোষ আঁটা ও লাগাম বাঁধা একটি বোরাক আনা হয়। বোরাক তার পিঠে সওয়ার হওয়াটা তাঁর জন্য অসম্ভব করে তুললে জিবরীল (আঃ) তাকে বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সাথে কেন এ রকম আচরণ করছ? অথচ আল্লাহ তা‘আলার সমীপে তাঁর চেয়ে বেশি সম্মানিত কেউ তোমার পিঠে সওয়ার হয়নি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এতে বোরাক ঘর্মাক্ত হয়ে যায়।
আবূ ‘ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এটিকে আমরা শুধুমাত্র ‘আবদুর রাজ্জাকের বর্ণিত হাদীস হিসেবেই জানি।
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ﴾وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ﴿ جَعَلَ النَّبِيُّ ﷺ يُنَادِي «يَا بَنِي فِهْرٍ، يَا بَنِي عَدِيٍّ لِبُطُونِ قُرَيْشٍ».
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন এ আয়াত “তোমার নিকট আত্মীয়গণকে সতর্ক কর” (আশ শু’আরাঃ ২১৪) অবতীর্ণ হল, তখন নবী (ﷺ) বললেন, হে বানী ফিহ্র, হে বনী ‘আদি! বিভিন্ন কুরাইশ শাখা গোত্রগুলিকে নাম ধরে ধরে ইসলামের পথে ডাক দিতে লাগলেন।
إِبْرَاهِيْمُ بْنُ مُوْسَى أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِيْ مُلَيْكَةَ يَقُوْلُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا ﴾حَتّٰى إِذَا اسْتَيْأَسَ الرُّسُلُ وَظَنُّوْآ أَنَّهُمْ قَدْ كُذِبُوْا﴿ خَفِيْفَةً ذَهَبَ بِهَا هُنَاكَ وَتَلَا : ﴾حَتّٰى يَقُوْلَ الرَّسُوْلُ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَعَه” مَتٰى نَصْرُ اللهِ أَلَآ إِنَّ نَصْرَ اللهِ قَرِيْبٌ﴿ فَلَقِيْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ فَذَكَرْتُ لَهُ ذَلِكَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র বাণী ঃ এমনকি যখন রাসূলগণ নিরাশ হয়ে পড়ল এবং ভাবতে লাগল যে, তাঁদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়া হয়েছে (সূরা ইউসুফ ১২/১১০)।তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এই আয়াতসহ সূরা আল-বাকারাহ্র আয়াতের শরণাপন্ন হন ও তিলাওয়াত করেন, যেমন ঃ حَتَّى يَقُولَ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ مَتَى نَصْرُ اللهِ أَلاَ إِنَّ نَصْرَ اللهِ قَرِيبٌ এমনকি রাসূল (ﷺ) এবং তাঁর সঙ্গে ঈমান আনয়নকারীগণ বলে উঠেছিল আল্লাহ্র সাহায্য কখন আসবে? হ্যাঁ, হ্যাঁ, আল্লাহ্র সাহায্য নিকটেই (সূরা আল-বাকারাহ ২/২১৪)।
مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ عَمِّ نَبِيِّكُمْ يَعْنِي ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا يَنْبَغِيْ لِعَبْدٍ أَنْ يَقُوْلَ أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُوْنُسَ بْنِ مَتَّى.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, “আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা থেকে উত্তম” এমন কথা বলা কারও জন্যে শোভনীয় নয়।
عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ {وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِيْٓ أَرَيْنَاكَ إِلَّا فِتْنَةً لِّلنَّاسِ} قَالَ هِيَ رُؤْيَا عَيْنٍ أُرِيَهَا رَسُوْلُ اللهِ ﷺ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِهِ {وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُوْنَةَ} شَجَرَةُ الزَّقُّوْمِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلاَّ فِتْنَةً لِلنَّاسِ এ আয়াত সম্পর্কে বলেন, এ আয়াতে رُؤْيَا (স্বপ্নে দেখা নয়, বরং) চোখ দ্বারা সরাসরি দেখা বোঝানো হয়েছে, যা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে মিরাজের রাতে সরাসরি দেখানো হয়েছিল। আর এখানে الشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ (অভিশপ্ত বৃক্ষ) বলতে ‘যাক্কুম’ বৃক্ষ বোঝানো হয়েছে।
[১] ‘যাক্কুম; বৃক্ষ, যা জাহান্নামীদের খাদ্য হবে।আল্লাহর বাণী ‘‘নিশ্চয়ই ‘যাক্কুম’ বৃক্ষ হবে পাপীদের খাদ্য। গলিত তাম্রের ক্ষত, তা তাদের উদরে ফুটতে থাকবে’’- (সূরা আল-ফুরকান ২৫/৪৩-৪৫)।জাহান্নামের এ বৃক্ষ এবং ‘মি’রাজ উভয়ই অলৌকিক ব্যাপার। আল্লাহ্ পরীক্ষা করেন। কে এটা বিশ্বাস করে, আর কে করে না।
