রোজা সম্পর্কিত
মোট হাদিস ৫৭১
রোজা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ হাদিস ও ইসলামিক নির্দেশনা
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুকন বা স্তম্ভ হলো সাওম বা রোজা পালন করা। রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী থেকে রোজা রাখার পদ্ধতি এবং এর বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। বর্ণিত হাদিসগুলোতে এসেছে, রমজানের চাঁদ দেখে রোজা শুরু করতে হবে এবং পুনরায় চাঁদ দেখে ইফতার বা ঈদ করতে হবে; আকাশ মেঘলা থাকলে গণনা পূর্ণ করার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া আশুরার দিনে যারা সকাল থেকে কিছু খায়নি, তাদেরকে রোজা পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নবী (ﷺ) উম্মতের কষ্টের কথা বিবেচনা করে সাহাবিদের বিরতিহীন রোজা (সওমে বিসাল) রাখতে নিষেধ করেছেন। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁকে আহার ও পান করান, যা সাধারণ মানুষের জন্য প্রযোজ্য নয়।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ آلَى رَسُولُ اللهِ ﷺ مِنْ نِسَائِهِ وَكَانَتْ انْفَكَّتْ رِجْلُهُ فَأَقَامَ فِي مَشْرُبَةٍ تِسْعًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً ثُمَّ نَزَلَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ ﷺ آلَيْتَ شَهْرًا فَقَالَ إِنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের সাথে ঈলা করলেন। এ সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তখন তিনি উপরের কামরায় ঊনত্রিশ রাত অবস্থান করেন। এরপর তিনি নেমে আসলে সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি তো এক মাসের জন্য ঈলা করেছিলেন। তিনি বললেনঃ মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لاَ تُوَاصِلُوا قَالُوا إِنَّكَ تُوَاصِلُ قَالَ لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى أَوْ إِنِّي أَبِيتُ أُطْعَمُ وَأُسْقَى
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমরা সাওমে বিসাল পালন করবে না। লোকেরা বলল, আপনি যে সাওমে বিসাল করেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের মত নই। আমাকে পানাহার করানো হয় (অথবা বললেন) আমি পানাহার অবস্থায় রাত অতিবাহিত করি।
عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ وَاصَلَ النَّبِيُّ ﷺ آخِرَ الشَّهْرِ وَوَاصَلَ أُنَاسٌ مِنْ النَّاسِ فَبَلَغَ النَّبِيَّ ﷺ فَقَالَ لَوْ مُدَّ بِيَ الشَّهْرُ لَوَاصَلْتُ وِصَالاً يَدَعُ الْمُتَعَمِّقُونَ تَعَمُّقَهُمْ إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ إِنِّي أَظَلُّ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِ تَابَعَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ مُغِيرَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(কোন এক) মাসের শেষভাগে নবী (ﷺ) বিরতিহীন সাওম রাখলেন এবং আরো কতিপয় লোকও বিরতিহীনভাবে সাওম রাখল। এ সংবাদ নবী (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমার এ মাস প্রলম্বিত হত, তবুও আমি এভাবে বিরতিহীন সাওম করতাম। যাতে অধিক কষ্টকারীরা তাদের কষ্ট করা ত্যাগ করে। আমি তো তোমাদের মত নই, আমার প্রতিপালক আমাকে আহার করান এবং পান করান। সুলায়মান ইব্নু মুগীরা আনাস (রাঃ)- এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে হুমায়দ-এর অনুসরণ করেছেন।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ - عَنْ ثَابِتٍ، قَالَ قَالَ أَنَسٌ مَا كُنَّا نَدَعُ الْحِجَامَةَ لِلصَّائِمِ إِلاَّ كَرَاهِيَةَ الْجَهْدِ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সাওম পালনকারী রক্তমোক্ষণ করালে দুর্বল হয়ে যাবে বিধায় আমরা তা পরিত্যাগ করতাম।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ سَافَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي رَمَضَانَ فَصَامَ بَعْضُنَا وَأَفْطَرَ بَعْضُنَا فَلَمْ يَعِبِ الصَّائِمُ عَلَى الْمُفْطِرِ وَلاَ الْمُفْطِرُ عَلَى الصَّائِمِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রমযান মাসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সফর করেছি। এ সময় আমাদের কেউ সাওম রেখেছেন এবং কেউ সাওম রাখেননি। কিন্তু এ সময় সাওম পালনকারী রোযাহীনকে এবং রোযাহীন সাওম পালনকারীকে দোষারোপ করেননি।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، ح. وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، رضى الله عنه ح. وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السُّحُورِ بَرَكَةً».
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সাহ্রী খাও, সাহ্রীতে বারাকাত রয়েছে।
ই.ফা. ২৪১৬, ই.সে. ২৪১৫
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُصَلِّي فِي رَمَضَانَ فَجِئْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ وَجَاءَ رَجُلٌ آخَرُ فَقَامَ أَيْضًا حَتَّى كُنَّا رَهْطًا فَلَمَّا حَسَّ النَّبِيُّ ﷺ أَنَّا خَلْفَهُ جَعَلَ يَتَجَوَّزُ فِي الصَّلاَةِ ثُمَّ دَخَلَ رَحْلَهُ فَصَلَّى صَلاَةً لاَ يُصَلِّيهَا عِنْدَنَا .قَالَ قُلْنَا لَهُ حِينَ أَصْبَحْنَا أَفَطِنْتَ لَنَا اللَّيْلَةَ قَالَ فَقَالَ «نَعَمْ ذَاكَ الَّذِي حَمَلَنِي عَلَى الَّذِي صَنَعْتُ» . قَالَ فَأَخَذَ يُوَاصِلُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَذَاكَ فِي آخِرِ الشَّهْرِ فَأَخَذَ رِجَالٌ مِنْ أَصْحَابِهِ يُوَاصِلُونَ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ «مَا بَالُ رِجَالٍ يُواصِلُونَ إِنَّكُمْ لَسْتُمْ مِثْلِي أَمَا وَاللَّهِ لَوْ تَمَادَّ لِيَ الشَّهْرُ لَوَاصَلْتُ وِصَالاً يَدَعُ الْمُتَعَمِّقُونَ تَعَمُّقَهُمْ " .>
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রমাযান মাসে একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (ﷺ) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন। তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমাযানের শেষভাগে আবার সাওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সাহাবীও সাওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (ﷺ) বললেন, লোকদের কী হ’ল, তারা যে সাওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সাওমে বিসাল করতাম যার ফলে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সাওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত।
ই.ফা. ২৪৩৭, ই.সে. ২৪৩৬
حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ وَاصَلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي أَوَّلِ شَهْرِ رَمَضَانَ فَوَاصَلَ نَاسٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَبَلَغَهُ ذَلِكَ فَقَالَ «لَوْ مُدَّ لَنَا الشَّهْرُ لَوَاصَلْنَا وِصَالاً يَدَعُ الْمُتَعَمِّقُونَ تَعَمُّقَهُمْ إِنَّكُمْ لَسْتُمْ مِثْلِي - أَوْ قَالَ - إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ إِنِّي أَظَلُّ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِي» .>
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রমাযান মাসের প্রথমাংশে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এ দেখে মুসলিমদের কতিপয় লোক সাওমে বিসাল আরম্ভ করে দিলেন। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছার পর তিনি বললেন, যদি আমাদের জন্য মাস দীর্ঘায়িত করে দেয়া হতো তবে আমি এমনভাবে সাওমে বিসাল করতাম যাতে সীমালঙ্ঘনকারীরা সীমালঙ্ঘন করা ছেড়ে দিত। এরপর তিনি বললেন, তোমরা তো আমার মতো নও অথবা বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। কারণ আমার প্রতিপালক তো আমাকে পানাহার করান।
ই.ফা. ২৪৩৮, ই.সে. ২৪৩৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ مُوَرِّقٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ ﷺ فِي السَّفَرِ فَمِنَّا الصَّائِمُ وَمِنَّا الْمُفْطِرُ - قَالَ - فَنَزَلْنَا مَنْزِلاً فِي يَوْمٍ حَارٍّ أَكْثَرُنَا ظِلاًّ صَاحِبُ الْكِسَاءِ وَمِنَّا مَنْ يَتَّقِي الشَّمْسَ بِيَدِهِ - قَالَ - فَسَقَطَ الصُّوَّامُ وَقَامَ الْمُفْطِرُونَ فَضَرَبُوا الأَبْنِيَةَ وَسَقَوُا الرِّكَابَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " ذَهَبَ الْمُفْطِرُونَ الْيَوْمَ بِالأَجْرِ ".
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এর সাথে আমরা সফরে ছিলাম। আমাদের কেউ সাওম পালন করেছেন, আবার কেউ ছেড়ে দিয়েছেন। এরপর প্রচণ্ড গরমের সময় আমরা এক প্রান্তরে অবতরণ করলাম। চাদর বিশিষ্ট লোকেরাই আমাদের মধ্যে সর্বাধিক ছায়া লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের কেউ কেউ নিজ হাত দ্বারা সূর্যের কিরণ থেকে নিজেকে রক্ষা করছিলেন। অবশেষে সাওম পালনকারীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ল এবং সাওম ত্যাগকারীরা সুস্থ থাকল। এরপর তারা তাঁবু খাটালো এবং উটকে পানি পান করালো তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আজ সাওম পরিত্যাগকারীরা সওয়াব অর্জন করে নিল।
ই. ফা.২৪৮৯, ই.সে. ২৪৮৮
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ مُوَرِّقٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي سَفَرٍ فَصَامَ بَعْضٌ وَأَفْطَرَ بَعْضٌ فَتَحَزَّمَ الْمُفْطِرُونَ وَعَمِلُوا وَضَعُفَ الصُّوَّامُ عَنْ بَعْضِ الْعَمَلِ - قَالَ - فَقَالَ فِي ذَلِكَ «ذَهَبَ الْمُفْطِرُونَ الْيَوْمَ بِالأَجْرِ».
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক সফরে ছিলেন। তখন কেউ কেউ সাওম পালন করলেন, আবার কেউ কেউ সাওম ছেড়ে দিলেন। এরপর যারা সাওম ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা শক্তিমত্তার সাথে কাজ করলেন এবং সাওম পালনকারী ব্যক্তিগণ কাজে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আজ সাওম পরিত্যাগকারীরা নেকী অর্জন করে নিল।
ই. ফা.২৪৯০, ই.সে. ২৪৮৯
