১/৮১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১১০ - বীর্যপাতের ওপর গোসলের পুরোনো অনুমতি
বীর্যপাতের ফলে গোসল ওয়াজিব হয়
বীর্যপাত হলেই গোসল—প্রথম যুগের অনুমতি ও পরে বাতিল বিধান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১১০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১১০
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ رُخْصَةً فِي أَوَّلِ الإِسْلاَمِ ثُمَّ نُهِيَ عَنْهَا.
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
“বীর্যপাতের ফলেই গোসল ওয়াজিব হয়” এ অনুমতি ইসলামের প্রথম যুগে ছিল, অতঃপর তা বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উবাই ইবনু কাব (রাঃ) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছেন। তিনি জানান, “বীর্যপাতের ফলেই গোসল ফরজ হয়”—এ রকম অনুমতি ইসলামের প্রথম যুগে ছিল। পরে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর মানে হলো, জানাবাতের গোসল নিয়ে শুরুর দিকের একটি সহজ অনুমতি পরে আর আগের মতো থাকেনি। এই বর্ণনা বুঝতে হলে এটিকে সহবাসের পর গোসল ফরজ হওয়ার বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়া হয়—ইসলামী স্কলারদের মতে। তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসে শুধু এতটুকুই এসেছে যে, প্রথম যুগের অনুমতি পরে নাকচ হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত গল্প আনা ঠিক নয়। যারা “পানি থেকে পানি” হাদিস, বীর্যপাত হলে গোসল, বা গোসল ফরজ হওয়ার বিধান জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস বিধান পরিবর্তনের দিকটি বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামের প্রথম যুগে একটি বিশেষ অনুমতি ছিল—এ কথা এসেছে।
- পরে সেই অনুমতি বাতিল করা হয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে।
- গোসলের বিধান বোঝার সময় সব সম্পর্কিত বর্ণনা মিলিয়ে দেখা দরকার।
- একটি হাদিসের সীমিত বক্তব্যকে বাড়িয়ে বলা ঠিক নয়।
