২১/৩১. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭১১ - পনের বছর বয়স ও দায়িত্ব

বালেগের বয়সসীমা এবং বাইতুল মাল হতে ভাতা নির্ধারণের সময়

পনের বছর বয়স: সেনাবাহিনীতে গ্রহণ ও দায়িত্বের সীমা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৭১১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْوَزِيرِ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ عُرِضْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فِي جَيْشٍ وَأَنَا ابْنُ أَرْبَعَ عَشَرَةَ فَلَمْ يَقْبَلْنِي ثُمَّ عُرِضْتُ عَلَيْهِ مِنْ قَابِلٍ فِي جَيْشٍ وَأَنَا ابْنُ خَمْسَ عَشَرَةَ فَقَبِلَنِي . قَالَ نَافِعٌ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَالَ هَذَا حَدُّ مَا بَيْنَ الصَّغِيرِ وَالْكَبِيرِ . ثُمَّ كَتَبَ أَنْ يُفْرَضَ لِمَنْ بَلَغَ الْخَمْسَ عَشَرَةَ .حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ هَذَا حَدُّ مَا بَيْنَ الذُّرِّيَّةِ وَالْمُقَاتِلَةِ . وَلَمْ يَذْكُرْ أَنَّهُ كَتَبَ أَنْ يُفْرَضَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ إِسْحَاقَ بْنِ يُوسُفَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমাকে কোন এক সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে হাজির করা হয়। তখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর ছিল। তিনি আমাকে গ্রহণ করেননি। আমাকে আবার পরের বছর সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে তাঁর সামনে হাজির করা হয়। তখন আমার বয়স পনের বছর ছিল। এবার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) এর সামনে বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এটাই বালেগ ও নাবালেগের মধ্যে পার্থক্যকারী বয়সসীমা। তারপর যারা পনের বছর বয়সে পদার্পণ করেছে তিনি তাদের জন্য বাইতুল মাল হতে ভাতা নির্ধারণের নির্দেশ জারি করেন।

সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৩), নাসা-ঈ ইবনু আবী উমার-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করেছেন। এতে নাফি (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) বললেনঃ এ হলো বালেগ ও নাবালেগের যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়সসীমা। এই সূত্রে ভাতা নির্ধারণের উল্লেখ নেই। সহীহ্ দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, ইসহাক ইবনু ইউসুফের সূত্রে বর্ণিত হাদীস হাসান সহীহ্ এবং সুফিয়ান সাওরীর বর্ণনা হিসাবে গারীব।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭১১-এর সারসংক্ষেপ

ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, চৌদ্দ বছর বয়সে তাঁকে সেনাবাহিনীতে অংশ নেওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সামনে হাজির করা হলে তিনি অনুমতি দেননি। পরের বছর পনের বছর বয়সে আবার হাজির করা হলে তাঁকে গ্রহণ করা হয়। বর্ণনার দ্বিতীয় অংশে নাফি (রহঃ) জানান, উমর ইবনু আবদুল আজিজ (রহঃ) এই ঘটনাকে ছোট ও বড়ের মাঝে একটি বয়সসীমা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং পনের বছরে পৌঁছানোদের জন্য ভাতা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। হাদিসটির মূল বিষয় বয়সের সঙ্গে দায়িত্ব ও সক্ষমতার সম্পর্ক। এখানে যুদ্ধের অনুমতির নির্দিষ্ট ঘটনা এসেছে। তাই সব ধরনের ব্যক্তিগত, সামাজিক বা আইনি সিদ্ধান্তে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই একে প্রয়োগ করা ঠিক নয়। তবে দায়িত্ব দেওয়ার আগে বয়স ও প্রস্তুতি যাচাই করার শিক্ষা স্পষ্ট।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দায়িত্ব দেওয়ার আগে বয়স ও সক্ষমতা যাচাই করা দরকার।
  • চৌদ্দ বছরে অনুমতি না দিয়ে পনের বছরে গ্রহণ করা হয়েছিল।
  • প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বর্ণিত ঘটনার ব্যবহার করা হয়েছিল।
  • একটি নির্দিষ্ট ঘটনার বিধানকে সব বিষয়ে অযথা বিস্তৃত করা উচিত নয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন