২২/১৭. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭৪৭ - নবীজির আংটির তিন লাইনের নকশা
আংটিতে কারুকাজ করা
নবীজির আংটির নকশা: তিন লাইনে ‘মুহাম্মদ রাসূল আল্লাহ’
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৭৪৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৭৪৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ نَقْشُ خَاتَمِ النَّبِيِّ ﷺ مُحَمَّدٌ سَطْرٌ وَرَسُولُ سَطْرٌ وَاللَّهِ سَطْرٌ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আংটির নকশা ছিল নিম্নরূপঃ এক পংক্তিতে ‘মুহাম্মাদ’, এক পংক্তিতে ‘রাসূল’ এবং এক পংক্তিতে ‘আল্লাহ’।
আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ্ গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আংটির খোদাই কীভাবে সাজানো ছিল, তা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। একটি পংক্তিতে ছিল ‘মুহাম্মদ’, আরেক পংক্তিতে ‘রাসূল’ এবং আরেক পংক্তিতে ‘আল্লাহ’। অর্থাৎ লেখাটি এক লাইনে নয়, আলাদা তিনটি পংক্তিতে বিন্যস্ত ছিল। এই বর্ণনার মূল উদ্দেশ্য আংটির নকশার সুনির্দিষ্ট রূপ জানানো। এখানে আংটির ধাতু, ব্যবহারের কারণ বা অন্য কোনো বিধান বিস্তারিত আলোচনা করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় তিন লাইনের বিন্যাসকেই গুরুত্ব দিতে হবে। হাদিসটি দেখায়, সাহাবিরা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর ব্যবহার্য জিনিসের সূক্ষ্ম বিবরণও মনে রেখেছেন। একই সঙ্গে এটি আমাদের সতর্ক করে যে, বর্ণিত নকশা নিয়ে নিজের কল্পনা যোগ না করে হাদিসে যেভাবে শব্দ ও পংক্তি বলা হয়েছে, সেভাবেই তথ্য উপস্থাপন করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আংটির নকশা তিনটি আলাদা পংক্তিতে ছিল।
- পংক্তিগুলোতে ‘মুহাম্মদ’, ‘রাসূল’ ও ‘আল্লাহ’ লেখা ছিল।
- হাদিসের সূক্ষ্ম বিবরণ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বর্ণনা করা দরকার।
