২৫/৫১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৮১ - গালি দেওয়ার পাপ ও সীমা রক্ষা
গালিগালাজ প্রসঙ্গে
গালি দেওয়ার পাপ: কথার সীমা রক্ষার হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৯৮১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৯৮১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالاَ فَعَلَى الْبَادِي مِنْهُمَا مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দুইজন লোক একে অপরকে গালি দেয়ার অপরাধ প্রথমে গালি প্রদানকারীর উপর এসে পড়ে, যতক্ষণ পর্যন্ত নির্যাতিত ব্যক্তি (দ্বিতীয় ব্যক্তি) সীমালঙ্ঘন না করে।
সা’দ, ইবনু মাসঊদ ও আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ’’।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো গালি দেওয়ার পাপ এবং জবাব দেওয়ার সময় সীমা রক্ষা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, দুইজন মানুষ পরস্পর গালি দিলে প্রথম দায় পড়ে সেই ব্যক্তির উপর, যে আগে গালি শুরু করেছে। তবে নির্যাতিত ব্যক্তি যদি জবাব দিতে গিয়ে সীমালংঘন করে, তখন তারও দায় তৈরি হয়। তাই গালি দেওয়ার হাদিস আমাদের শেখায়, রাগের সময় মুখ সামলানো খুব জরুরি। কেউ অন্যায় কথা বললেও জবাবে অন্যায় বাড়ানো ঠিক নয়। ইসলাম কথার ভদ্রতা, ধৈর্য এবং অন্যের সম্মান রক্ষা করতে বলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গালি শুরু করা বড় অন্যায় এবং এর দায় আগে শুরুকারীর উপর পড়ে।
- মজলুম হলেও জবাবে সীমা ছাড়ানো ঠিক নয়।
- রাগের সময় কথা নিয়ন্ত্রণ করা ঈমানি আচরণের অংশ।
- অন্যায় কথার জবাবেও ন্যায় ও সংযম রাখা দরকার।
