২৫/৫৩. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৮৪ - জান্নাতের প্রাসাদ লাভের আমল

উত্তম কথা বলা প্রসঙ্গে

জান্নাতের প্রাসাদ লাভের আমল: সুন্দর কথা ও রাতের নামাজ

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৯৮৪

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ " إِنَّ فِي الْجَنَّةِ غُرَفًا تُرَى ظُهُورُهَا مِنْ بُطُونِهَا وَبُطُونُهَا مِنْ ظُهُورِهَا» . فَقَامَ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ لِمَنْ هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ «لِمَنْ أَطَابَ الْكَلاَمَ وَأَطْعَمَ الطَّعَامَ وَأَدَامَ الصِّيَامَ وَصَلَّى لِلَّهِ بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامٌ» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ . وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْحَدِيثِ فِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ هَذَا مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ وَهُوَ كُوفِيٌّ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ الْقُرَشِيُّ مَدَنِيٌّ وَهُوَ أَثْبَتُ مِنْ هَذَا وَكِلاَهُمَا كَانَا فِي عَصْرٍ وَاحِدٍ .

আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জান্নাতের মধ্যে একটি বালাখানা (প্রাসাদ) আছে। এর ভিতর হতে বাইরের এবং বাহির হতে ভিতরের দৃশ্য দেখা যায়। এক বেদুঈন (গ্রাম্যলোক) দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)! এই বালাখানা কোন ব্যক্তির জন্য? তিনি বললেনঃ যে লোক মানুষের সাথে উত্তমভাবে কথা বলে, ক্ষুধার্তকে খাদ্য দেয়, সর্বদা রোজা পালন করে এবং মানুষ যখন রাতে ঘুমিয়ে থাকে তখন আল্লাহ্‌ তা‘আলার উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করে তার জন্য।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদিসটি গারীব। আমরা এ হাদিস প্রসঙ্গে শুধুমাত্র আবদূর রাহমান ইবনু ইসহাকের সূত্রেই জেনেছি। এই আবদূর রাহমানের স্মরণশক্তি সম্পর্কে কোন কোন হাদীস বিশারদ সমালোচনা করেছেন। তিনি কূফার বাসিন্দা। আর আবদূর রাহমান ইবনু ইসহাক আল-কুরাশী একজন মাদীনার অধিবাসী। তিনি পূর্বোক্তজনের চাইতে বেশি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য। তারা উভয়ে ছিলেন সমসাময়িক।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৮৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জান্নাতের প্রাসাদ লাভের আমল সম্পর্কে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জান্নাতের এমন কক্ষের কথা বলেছেন, যার ভেতর থেকে বাইরের দৃশ্য এবং বাইরে থেকে ভেতরের দৃশ্য দেখা যায়। একজন বেদুঈন জানতে চাইলেন, এগুলো কার জন্য? উত্তরে তিনি চারটি আমলের কথা বললেন: মানুষের সাথে উত্তমভাবে কথা বলা, ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া, সবসময় রোজা রাখা এবং মানুষ ঘুমিয়ে থাকলে রাতে আল্লাহর জন্য নামাজ পড়া। এই হাদিসে সুন্দর কথা, খাবার দান, রোজা এবং রাতের নামাজ—সবগুলোকে একসাথে সুন্দর চরিত্র ও ইবাদতের পথে রাখা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মানুষের সাথে উত্তমভাবে কথা বলা বড় নেক কাজ।
  • ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া প্রশংসনীয় আমল।
  • রোজা ও রাতের নামাজ আল্লাহর নৈকট্যের পথ।
  • ভালো চরিত্র ও ইবাদত একসাথে মুমিনের জীবন গড়ে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন