২৭/১৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০৮ - দুই ধর্মের মীরাস বিধান
দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারী পরস্পরের উত্তরাধিকারী হবে না।
দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারীদের মীরাস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২১০৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২১০৮
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " لاَ يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ " .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(ﷺ) বলেছেনঃ দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারী পরস্পরের উত্তরাধিকারী হবে না।
আবু ঈসা (রহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস সম্বন্ধে শুধুমাত্র ইবনু আবূ লাইলার সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হিসাবে জেনেছি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারী পরস্পরের উত্তরাধিকারী হবে না। মূল বিষয় হলো ভিন্ন ধর্মে মীরাস না হওয়া। আগের হাদিসে মুসলিম ও কাফিরের বিষয়ে যে কথা এসেছে, এখানে তা আরও সাধারণ ভাষায় বলা হয়েছে। অর্থাৎ মীরাসের নিয়ম শুধু পারিবারিক সম্পর্ক দিয়ে শেষ হয় না; ধর্মীয় পরিচয়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তবে হাদিসের বর্ণনা সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি ব্যাখ্যা বা নতুন শর্ত যোগ করা ঠিক নয়। বাস্তব মীরাস বণ্টনে ব্যক্তি, সম্পর্ক, ধর্মীয় অবস্থা ও অন্যান্য উত্তরাধিকারী—সবকিছু দেখে আলেমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারী পরস্পরের মীরাস পায় না।
- মীরাসে ধর্মীয় পরিচয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে নিজের মতো বাড়তি সিদ্ধান্ত টানা ঠিক নয়।
- বাস্তব সম্পত্তি বণ্টনে শরিয়তভিত্তিক যাচাই দরকার।
