৩১/৭৯. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২২৬৮ - ফিতনার স্থান সম্পর্কে সতর্কতা
(যে স্থান হতে ফিতনার উৎপত্তি)
ফিতনার স্থান সম্পর্কে নবীজির সতর্ক বাণী
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২২৬৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২২৬৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَلَى الْمِنْبَرِ فَقَالَ «هَا هُنَا أَرْضُ الْفِتَنِ وَأَشَارَ إِلَى الْمَشْرِقِ حَيْثُ يَطْلُعُ جِذْلُ الشَّيْطَانِ " . أَوْ قَالَ «قَرْنُ الشَّيْطَانِ " . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে প্রাচ্যের দিকে ইশারা করে বললেনঃ এই দিকেই ফিতনার স্থান, যে প্রান্ত হতে শয়তানের শিং উদিত হয়।
আবূ ইসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২২৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ফিতনা। একদিন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে পূর্ব দিকের দিকে ইশারা করে বলেন, এই দিকেই ফিতনার স্থান; সেখান থেকেই শয়তানের শৃঙ্গ উদিত হয়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সতর্কতামূলক। এখানে কোনো বিস্তারিত ঘটনা বা নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তাই ব্যাখ্যাও হাদিসের ভাষার মধ্যে সীমিত রাখা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, ফিতনা বাস্তব বিষয় এবং নবীজি উম্মতকে এর উৎস বা দিক সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। মুসলিমের কাজ হলো ফিতনার সময় সতর্ক থাকা, অস্থিরতা না বাড়ানো এবং নিজের ঈমান ও আমল রক্ষা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফিতনা সম্পর্কে নবীজির সতর্কতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- হাদিসে পূর্ব দিকের দিকে ইশারা করে সতর্ক করা হয়েছে।
- ফিতনার সময় নিজের ঈমান ও আমল রক্ষা করা জরুরি।
- হাদিসের বাইরে অতিরিক্ত দাবি না করাই নিরাপদ।
