৪৫/২৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৪১৫ - বেশি সিজদা ও বেশি তাসবিহের আমল
রাতে ঘুম ভাঙ্গার সময় পাঠ করার দোয়া
বেশি তাসবিহ ও সিজদা: উমাইর ইবন হানীর আমলের শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৪১৫
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৪১৫
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ حَدَّثَنَا مَسْلَمَةُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ كَانَ عُمَيْرُ بْنُ هَانِئٍ يُصَلِّي كُلَّ يَوْمٍ أَلْفَ سَجْدَةٍ وَيُسَبِّحُ مِائَةَ أَلْفِ تَسْبِيحَةٍ .
মাসলামা ইবনু আমর হতে বর্ণিতঃ
উমাইর ইবনু হাণী প্রত্যেকদিন এক হাজার রাক'আত নামাজ আদায় করতেন এবং এক লক্ষবার তাসবীহ পাঠ করতেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৪১৫-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: বেশি জিকির। এই বর্ণনাটি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সরাসরি কথা নয়; এখানে উমাইর ইবন হানীর ব্যক্তিগত আমলের কথা এসেছে। বলা হয়েছে, তিনি প্রতিদিন এক হাজার সিজদা করতেন এবং এক লক্ষবার তাসবিহ পাঠ করতেন। তাই এই হাদিস থেকে নির্দিষ্টভাবে সবার জন্য একই পরিমাণ বাধ্যতামূলক বলা ঠিক নয়। বরং এটুকু বোঝা যায়, সালাফদের মধ্যে কেউ কেউ ইবাদত ও জিকিরে খুব যত্নবান ছিলেন। বেশি তাসবিহ, বেশি সিজদা ও আল্লাহর স্মরণ একজন বান্দার জীবনে বড় জায়গা নিতে পারে। তবে নিজের শক্তি, সময় ও শরীরের অবস্থা বুঝে আমল করা উচিত—কারণ এই বর্ণনায় নির্দেশ নয়, বরং একজন নেক ব্যক্তির আমলের খবর এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ নয়, উমাইর ইবন হানীর আমলের বর্ণনা।
- সালাফদের জীবনে বেশি জিকির ও সিজদার গুরুত্ব দেখা যায়।
- ব্যক্তিগত আমলকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করে বলা ঠিক নয়।
- ইবাদতে আগ্রহ রাখা ভালো, তবে নিজের সামর্থ্যও খেয়াল রাখা দরকার।
