৪৬/১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬০৬ - কিনানা, কুরাইশ ও বানু হাশিমের মর্যাদা
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মর্যাদা
নবীর বংশ পরিচয়: কিনানা থেকে কুরাইশ, হাশিম থেকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৬০৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৬০৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي شَدَّادٌ أَبُو عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي وَاثِلَةُ بْنُ الأَسْقَعِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى كِنَانَةَ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ وَاصْطَفَى قُرَيْشًا مِنْ كِنَانَةَ وَاصْطَفَى هَاشِمًا مِنْ قُرَيْشٍ وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ.
ওয়াসিলাহ ইবনুল আসকা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশধর হতে কিনানাহ্ গোত্রকে বাছাই করেছেন, কিনানাহ্ গোত্র হতে কুরাইশকে বাছাই করেছেন, আবার কুরাইশদের মধ্য হতে হাশিমকে বাছাই করেছেন এবং বনূ হাশিম হতে আমাকে বাছাই করেছেন।
আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বিষয়ের মতোই রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বংশ মর্যাদা স্পষ্ট করে। এখানে বলা হয়েছে, আল্লাহ ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশধর থেকে কিনানা গোত্রকে বাছাই করেছেন। তারপর কিনানা থেকে কুরাইশ, কুরাইশ থেকে হাশিম, আর বানু হাশিম থেকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বাছাই করেছেন। এতে বুঝা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আগমন কোনো সাধারণ বংশপরিচয়ের কথা হিসেবে বলা হয়নি; বরং আল্লাহর বাছাই হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই বর্ণনা পড়লে নবীর প্রতি সম্মান বাড়ে, কিন্তু একই সঙ্গে মনে রাখতে হয়, ইসলাম মানুষের মর্যাদা মাপে ঈমান ও তাকওয়া দিয়ে। এখানে আলোচনার উদ্দেশ্য হলো রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ মর্যাদা জানা, জাতিগত অহংকার শেখা নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বংশধারা আল্লাহর বাছাই হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
- নবীর মর্যাদা জানা মুসলিমের ভালোবাসা বাড়াতে সাহায্য করে।
- বংশের আলোচনা অহংকার নয়, নবীর সম্মান বোঝার জন্য।
