৪৬/৪৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৩২ - হাদিস বর্ণনার শব্দগত পার্থক্য
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর মর্যাদা
হাদিস বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য বোঝার শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৮৩২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮৩২
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ مَيْمُونٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، نَحْوَ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَعْقُوبَ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ وَأَخَذَهُ النَّبِيُّ ﷺ عَنْ جِبْرِيلَ .
আবূ কুরাইব-যাইদ হতে বর্ণিতঃ
তিনি মাইমূন আবূ আবদুল্লাহ হতে, তিনি সাবিত হতে, তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে ইবরাহীম ইবনু ইয়াকূব বর্ণিত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। তবে এ সূত্রে এ কথার উল্লেখ নেই ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরাঈল (আঃ) হতে তা গ্রহণ করেছেন’।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, মাইমূন আবু আবদুল্লাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে আগের বর্ণনার মতোই হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে এখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এ সূত্রে ‘রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জিবরাঈল (আঃ) হতে তা গ্রহণ করেছেন’—এই কথাটি উল্লেখ নেই। এখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, হাদিসের বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য খেয়াল করা দরকার। একই বিষয়ের বর্ণনা হলেও কোনো সূত্রে কিছু শব্দ থাকতে পারে, অন্য সূত্রে না-ও থাকতে পারে। তাই ব্যাখ্যা করার সময় বর্ণিত শব্দের প্রতি সতর্ক থাকা জরুরি। এই হাদিস হাদিসশাস্ত্রের সূক্ষ্ম আমানতদারির দিকটি সহজভাবে দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।
- একই বিষয়ের বর্ণনায় সূত্রভেদে সংক্ষিপ্ততা থাকতে পারে।
- যা বর্ণনায় নেই, তা জোর করে যোগ করা ঠিক নয়।
- দীনী জ্ঞান বর্ণনায় সততা ও সতর্কতা দরকার।
