৩/২১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪৮৬ - দোয়ার সঙ্গে দরুদ পাঠ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি দুরূদ পাঠের ফজিলত
দোয়ার আগে দরুদ পাঠের গুরুত্ব
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৪৮৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৪৮৬
حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، سُلَيْمَانُ بْنُ سَلْمٍ الْمَصَاحِفِيُّ الْبَلْخِيُّ أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، عَنْ أَبِي قُرَّةَ الأَسَدِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ إِنَّ الدُّعَاءَ مَوْقُوفٌ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ لاَ يَصْعَدُ مِنْهُ شَيْءٌ حَتَّى تُصَلِّيَ عَلَى نَبِيِّكَ ﷺ.
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
দোয়া আকাশ যমিনের মধ্যবর্তী স্থানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, তোমার রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি যতক্ষণ তুমি দুরূদ পাঠ না কর ততক্ষণ তার কিছুই উপরে উঠে না।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, দোয়া আকাশ ও জমিনের মাঝখানে থেমে থাকে এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি দরুদ পাঠ না করা পর্যন্ত তা ওপরে ওঠে না। বক্তব্যটি দোয়ার সঙ্গে দরুদের গভীর সম্পর্ক তুলে ধরে। একজন মুসলিম যখন আল্লাহর কাছে কিছু চান, তখন নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করে দোয়া সাজাতে পারেন। এতে আল্লাহর কাছে নবীর জন্য রহমত ও বরকত চাওয়া হয় এবং নিজের দোয়াও বিনয়ের সঙ্গে পেশ করা হয়। তবে এই বর্ণনা উমর (রাঃ)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে—এ বিষয়টি মনে রাখা জরুরি। এর সরাসরি শিক্ষা হলো, দোয়ার সময় দরুদকে অবহেলা না করা এবং আল্লাহর কাছে সম্মান ও নম্রতার সঙ্গে নিজের প্রয়োজন জানানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমর (রাঃ)-এর বক্তব্যে দোয়ার সঙ্গে দরুদ পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- নিজের প্রয়োজন চাওয়ার সময় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা যায়।
- দোয়ায় বিনয়, সম্মান ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা রাখা উচিত।
- বর্ণনাটি সরাসরি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
