৪/৬১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৮৮ - নামাজে দৃষ্টি ঘোরানোর বর্ণনা
নামাযে এদিক-সেদিক তাকানো
নামাজে এদিক-সেদিক দৃষ্টি দেওয়ার সংক্ষিপ্ত হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৫৮৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৫৮৮
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ بَعْضِ، أَصْحَابِ عِكْرِمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَلْحَظُ فِي الصَّلاَةِ . فَذَكَرَ نَحْوَهُ .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ وَعَائِشَةَ .
ইকরামার কিছু সঙ্গী হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) নামাজে এদিক-সেদিক চোখ ঘুরাতেন উপরের হাদীসের মতো।
এ অনুচ্ছেদে আনাস ও ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের হাদিসের মতোই রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর নামাজের সময় দৃষ্টি দেওয়ার বিষয়টি সংক্ষেপে জানায়। এতে বলা হয়েছে, তিনি নামাজে এদিক-সেদিক তাকাতেন বা দৃষ্টি দিতেন। বর্ণনাকারী আগের ঘটনার অনুরূপ কথা উল্লেখ করেছেন, তাই এখানে নতুন কোনো বিস্তারিত যোগ করা হয়নি। এই কারণে ব্যাখ্যা করার সময় আগের বর্ণনার সীমার বাইরে যাওয়া ঠিক হবে না। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, নামাজে তাঁর দৃষ্টি কখনো একদিকে স্থির না থেকে পাশে যেত। তবে কেন তাকাতেন, কতটা ঘুরতেন বা কোন প্রয়োজনে এমন করতেন—এই সংক্ষিপ্ত পাঠে তা বলা নেই। হাদিসটি আমাদের শেখায়, একটি ছোট বর্ণনাকে বড় নিয়মে পরিণত না করে তার ভাষা অনুযায়ী বুঝতে হবে। নামাজে দৃষ্টির বিষয়টি আলোচনা করতে হলে সংশ্লিষ্ট অন্য বর্ণনাগুলোকেও পাশাপাশি দেখা উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর নামাজে এদিক-সেদিক দৃষ্টি দেওয়ার কথা এসেছে।
- এই রেওয়ায়েত আগের হাদিসের অনুরূপ এবং এতে অতিরিক্ত বিস্তারিত নেই।
- হাদিসে না থাকা কারণ বা শর্ত নিজ থেকে যোগ না করাই সঠিক বোঝার অংশ।
