৪/৬১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৮৯ - ফরজ নামাজে এদিক-সেদিক না তাকানো
নামাযে এদিক-সেদিক তাকানো
ফরজ নামাজে এদিক-সেদিক তাকানো থেকে সতর্কতা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৫৮৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৫৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ، مُسْلِمُ بْنُ حَاتِمٍ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ قَالَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «يَا بُنَىَّ إِيَّاكَ وَالاِلْتِفَاتَ فِي الصَّلاَةِ فَإِنَّ الاِلْتِفَاتَ فِي الصَّلاَةِ هَلَكَةٌ فَإِنْ كَانَ لاَ بُدَّ فَفِي التَّطَوُّعِ لاَ فِي الْفَرِيضَةِ» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ হে প্রিয় বৎস সাবধান! নামাজের মধ্যে কখনো এদিক-সেদিক দেখবে না। কেননা নামাজরত অবস্থায় এদিক-সেদিক তাকানো সর্বনাশ ডেকে আনে। যদি তাকানোর খুবই দরকার হয় তবে নফল নামাজে তাকাও, ফরজ নামাজে নয়।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আনাস ইবন মালিক রাঃ-কে স্নেহের সঙ্গে হে প্রিয় বৎস বলে নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব শিখিয়েছেন। তিনি নামাজের মধ্যে এদিক-সেদিক তাকানো থেকে সতর্ক করেছেন এবং এটিকে সর্বনাশ ডেকে আনে এমন কাজ বলেছেন। এরপর একটি সীমিত অবস্থার কথাও এসেছে: যদি তাকানো একেবারে দরকার হয়ে যায়, তবে তা নফল নামাজে হতে পারে, ফরজ নামাজে নয়। বর্ণনার মূল জোর ফরজ নামাজে দৃষ্টি ও মনোযোগ রক্ষা করার ওপর। এখানে সাধারণ কৌতূহল, অমনোযোগ বা অভ্যাসবশত চারদিকে তাকানোর সমর্থন নেই। আবার হাদিসে যে জরুরি প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে, সেটিকে অযথা বিস্তৃত করাও ঠিক নয়। তাই বাস্তব শিক্ষা হলো, ফরজ নামাজে সামনে মনোযোগ রাখা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে মুখ বা দৃষ্টি ঘোরানো থেকে নিজেকে সামলানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এদিক-সেদিক তাকানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
- হাদিসে ফরজ নামাজে তাকানোর ব্যাপারে বিশেষভাবে কঠোরতা এসেছে।
- একেবারে দরকার হলে নফল নামাজে তাকানোর সীমিত সুযোগের কথা বলা হয়েছে।
