৪/৮০. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৬১৩ - জুনুব অবস্থায় খাওয়া ও ঘুম
নাপাক অবস্থায় ওযু করে পানাহার ও ঘুমানোর অনুমতি
জুনুব অবস্থায় ঘুম বা খাওয়ার আগে ওযু করার নিয়ম
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৬১৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৬১৩
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ عَمَّارٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ رَخَّصَ لِلْجُنُبِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَشْرَبَ أَوْ يَنَامَ أَنْ يَتَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অপবিত্র ব্যক্তিকে নামাজের ওজুর মতো ওজু করে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমানোর সম্মতি দিয়েছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৬১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জুনুব বা গোসল ফরজ হয়েছে এমন ব্যক্তির জন্য একটি সহজ অনুমতি দিয়েছেন। সে যদি গোসলের আগে খেতে, পান করতে বা ঘুমাতে চায়, তাহলে নামাজের ওযুর মতো ওযু করতে পারে। অর্থাৎ হাদিসটি সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ গোসল না করে সাময়িকভাবে এই কাজগুলো করার আগে ওযুর ব্যবস্থা জানায়। এখানে তিনটি কাজ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—খাওয়া, পান করা এবং ঘুমানো। তাই গোসল ফরজ অবস্থায় ঘুমের আগে ওযু বা খাওয়ার আগে ওযু বিষয়ে এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক। তবে এতে গোসলের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায়—এ কথা বলা হয়নি। ওযু হলো ওই সময়ের জন্য পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতির একটি আমল; ফরজ গোসল আলাদা দায়িত্ব হিসেবেই থাকে। হাদিসের ভাষা “সম্মতি দিয়েছেন”, তাই এটি সুযোগ ও সহজতার কথা জানায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুনুব ব্যক্তি খাওয়ার আগে নামাজের মতো ওযু করতে পারেন।
- পান করা বা ঘুমানোর আগেও একই ওযুর অনুমতি আছে।
- এই ওযু ফরজ গোসলের বিকল্প নয়।
- হাদিসে খাওয়া, পান করা ও ঘুম—তিনটি অবস্থাই স্পষ্টভাবে উল্লেখ হয়েছে।
