৬/৪০. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৪০ - মুহাররমের রোজার ফজিলত
মুহররমের রোযা
রমজানের পর মুহাররমের রোজা কেন ফজিলতপূর্ণ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭৪০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৪০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ صِيَامِ شَهْرِ رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ " .قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রমযান মাসের রোজার পরে আল্লাহ্ তা’আলার মাস মুহার্রামের রোজাই সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ।
আবূ ঈসা আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রমজানের রোজার পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোজাকে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ বলেছেন। এখানে তুলনাটি স্পষ্ট: প্রথমে রমজানের ফরজ রোজা, তারপর মুহাররম মাসের রোজার মর্যাদা। হাদিসটি পুরো মুহাররম মাসের নফল রোজার সাধারণ ফজিলত তুলে ধরে; নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, দিনের সংখ্যা বা আলাদা পদ্ধতি এই বাক্যে বলা হয়নি। তাই মুহাররমের রোজার ফজিলত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুধু এই হাদিসের নামে আশুরার নির্দিষ্ট বিধান বা অন্য কোনো পুরস্কার যোগ করা ঠিক নয়। সেগুলো আলাদা বর্ণনার বিষয় হতে পারে। এই পাঠ থেকে সরাসরি বোঝা যায়, রমজানের বাইরে নফল রোজার জন্য মুহাররম একটি বিশেষ মর্যাদার মাস এবং নবী (صلى الله عليه وسلم) একে ‘আল্লাহর মাস’ বলেছেন। সামর্থ্য অনুযায়ী এ মাসে রোজার প্রতি যত্ন নেওয়া এই বর্ণনার সহজ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের পর মুহাররমের রোজাকে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ বলা হয়েছে।
- মুহাররমকে হাদিসে ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়েছে।
- এই বর্ণনায় নির্দিষ্ট তারিখ বা রোজার সংখ্যা বলা হয়নি।
- হাদিসে না থাকা আলাদা পুরস্কার বা নিয়ম এর নামে যোগ করা উচিত নয়।
