৬/৭৩. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৯৫ - শেষ দশকে পরিবারকে জাগানো
(লাইলাতুল কাদর সম্পর্কেই)
রমজানের শেষ দশকে পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগানো
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭৯৫
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৯৫
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ هُبَيْرَةَ بْنِ يَرِيمَ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُوقِظُ أَهْلَهُ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রমজানের শেষ দশদিন নবী (ﷺ) তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে (ইবাদাতে মগ্ন থাকার জন্য) ঘুম থেকে উঠাতেন।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় পরিবারকে ইবাদতে উৎসাহ দেওয়া। বর্ণনায় এসেছে, রমজানের শেষ দশ দিনে নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের ইবাদতে অংশ নিতে সাহায্য করা। এই ছোট হাদিসে কোনো নির্দিষ্ট নামাজের সংখ্যা, নির্দিষ্ট সময় বা জোর করার পদ্ধতি বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় শুধু এতটুকুই বলা যায় যে শেষ দশকের রাতগুলোতে পরিবারের সদস্যদের ইবাদতের দিকে ডাক দেওয়া নবীজির আমলের অংশ ছিল। পরিবারকে জাগানো মানে রুক্ষতা নয়; বরং ভালো কাজে স্মরণ করানো ও উৎসাহ দেওয়া। রমজানের শেষ দশকের পারিবারিক আমল হিসেবে সবাইকে সময়মতো জানানো, ঘুম থেকে ওঠার সহায়তা করা এবং নিজেরাও ইবাদতে থাকা—এসব এই শিক্ষার সঙ্গে মানানসই। হাদিসটি দেখায়, শেষ দশকের চেষ্টা শুধু ব্যক্তিগত নয়; পরিবারকেও এতে যুক্ত করা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم শেষ দশকে পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগাতেন।
- পরিবারের সদস্যদের ভালো কাজে স্মরণ করানো একটি সুন্দর আমল।
- শেষ দশকের ইবাদতকে পারিবারিকভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়।
