৭/১০২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৯৪৮ - কিরান হজে এক তাওয়াফ ও এক সাঈ
হজ্জ ও উমরার জন্য কিরান হজ্জকারী এক তাওয়াফই করবে
কিরান হজে এক তাওয়াফ ও এক সাঈ যথেষ্ট
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৯৪৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৯৪৮
حَدَّثَنَا خَلاَّدُ بْنُ أَسْلَمَ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ أَحْرَمَ بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ أَجْزَأَهُ طَوَافٌ وَاحِدٌ وَسَعْىٌ وَاحِدٌ عَنْهُمَا حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ تَفَرَّدَ بِهِ الدَّرَاوَرْدِيُّ عَلَى ذَلِكَ اللَّفْظِ . وَقَدْ رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَلَمْ يَرْفَعُوهُ . وَهُوَ أَصَحُّ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হজ ও উমরার ইহরাম যে লোক একত্রে বাঁধবে এই দুইটির ক্ষেত্রে সে লোকের জন্য এক তাওয়াফ ও এক সাঈ যথেষ্ট হবে এবং সে একই সাথে উভয়টি হতে ইহরামমুক্ত হয়ে যাবে।
এই হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। কেননা, দারাওয়ারদী এককভাবে এই শব্দে হাদীস বর্ণনা করেছেন। একাধিক রাবী উবাইদুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) হতে এটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু এটিকে তারা মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেননি এবং এটাই অনেক বেশি সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৯৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ ও উমরার ইহরাম একসঙ্গে বাঁধা ব্যক্তির আমল সরাসরি বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি কিরান হজের নিয়তে হজ ও উমরা একত্রে গ্রহণ করবে, তার জন্য উভয়ের পক্ষ থেকে একটি তাওয়াফ ও একটি সাঈ যথেষ্ট হবে। এরপর সে একই সঙ্গে হজ ও উমরা—দুইটি থেকেই ইহরামমুক্ত হবে। বর্ণনাটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা হলো, দুটি ইবাদত একত্রে করার এই বিশেষ পদ্ধতিতে তাওয়াফ ও সাঈ আলাদা করে দুইবার করার কথা এখানে বলা হয়নি। বরং এক তাওয়াফ ও এক সাঈয়ের কথা এসেছে। কিরান হজের নিয়ম খুঁজলে এই হাদিসটি খুব নির্দিষ্ট উত্তর দেয়। তবে হজের অন্য কাজ, সময় বা ধাপের পূর্ণ তালিকা এই বর্ণনায় নেই। তাই হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে বলা যায়, কিরানকারীর তাওয়াফ, সাঈ এবং একসঙ্গে ইহরামমুক্ত হওয়ার বিষয়টি এখানে শেখানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ ও উমরার ইহরাম একসঙ্গে বাঁধলে একটি তাওয়াফের কথা এসেছে।
- এই বর্ণনায় উভয়ের জন্য একটি সাঈ যথেষ্ট বলা হয়েছে।
- হজ ও উমরা—দুইটি থেকেই একই সঙ্গে ইহরামমুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
