৩/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ২০ - অনধিকার জমি নেওয়ার শাস্তি
আত্মসাৎ
অনধিকার জমি নেওয়ার পরিণতি ও হক রক্ষার শিক্ষা
ঊপদেশ : ২০
ঊপদেশহাদিস নম্বর ২০
عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ أَخَذَ مِنَ الْأَرْضِ شَيْئًا بِغَيْرِ حَقِّهِ خُسِفَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى سَبْعِ أَرْضِيْنَ.
তাবেঈ সালেম (রহঃ) তাঁর বাপ আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) হতে হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে অনধিকারে কারো কিছু যমীন নিয়েছে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত তবক যমীন পর্যন্ত ধসিয়ে দেওয়া হবে’
(বুখারী, মিশকাত হা/২৯৫৮)।
ঊপদেশ হাদিস ২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি অনধিকারে কারও কিছু জমি নেয়, কিয়ামতের দিন তাকে সাত তবক জমিন পর্যন্ত ধসিয়ে দেওয়া হবে। এই হাদিস জমি দখল, অন্যের হক নেওয়া এবং যুলুমের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা দেয়। জমি ছোট হোক বা বড়—অধিকার ছাড়া নেওয়া বৈধ নয়। মানুষের সম্পদে হাত দেওয়ার আগে মনে রাখতে হবে, আখেরাতে এর হিসাব আছে। এই হাদিস আমাদের জমির সীমানা, দলিল, মালিকানা ও ন্যায্য অধিকার বিষয়ে সতর্ক করে। অন্যের হক বাঁচিয়ে চলা শুধু সামাজিক নিয়ম নয়; এটি আখেরাতের জবাবদিহির সঙ্গেও জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনধিকারে জমি নেওয়া যুলুমের মধ্যে পড়ে।
- কিয়ামতে জমি দখলের কঠিন পরিণতির কথা এসেছে।
- অন্যের সম্পদ ও জমির অধিকার মানা জরুরি।
- ন্যায্য হক ছাড়া কিছু নেওয়া থেকে বিরত থাকা দরকার।
