২/১৬. অধ্যায়ঃ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ২১ - সুন্নত নামাযের ফজিলত ও জান্নাতের ঘর
সুন্নত নামাযগুলি আদায় করা
সুন্নত নামাযের ফজিলত: প্রতিদিন বার রাকআতের সুন্দর শিক্ষা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ২১
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ২১
উম্মে হাবীবা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে, “কোন মুসলিম যখন আল্লাহ্র জন্য প্রতিদিন ফরজ নামাজগুলো ছাড়াও আরো বার রাকআ’ত সুন্নত নামাজ পড়ে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের একটি ঘর তৈরি করেন।”
*সুন্নত নামাজ হলো বার রাকআ’ত যোহরের পূর্বে চার রাকআ’ত ও পরে দু’রাকআ’ত, মাগরিবের পরে দু’রাকআ’ত, ঈশার পর দু’রাকআত এবং ফজরের পূর্বে দু’রাকআত। (মুসলিম ১৬৯৬)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সুন্নত নামাযের ফজিলত। এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো মুসলিম যদি আল্লাহর জন্য প্রতিদিন ফরয নামাযের বাইরে বার রাকআত সুন্নত নামায পড়ে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, ফরয নামাযের পাশাপাশি নফল ও সুন্নত আমলও মুমিনের জীবনে বড় মূল্য রাখে। এখানে আমলটি আল্লাহর জন্য করার কথা বলা হয়েছে, তাই নিয়তও গুরুত্বপূর্ণ। এই শিক্ষা সহজ হলেও গভীর। নিয়মিত সুন্নত নামায মানুষকে নামাযের সঙ্গে আরও বেশি যুক্ত করে এবং ইবাদতের ধারাবাহিকতা গড়ে তোলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফরয নামাযের বাইরে সুন্নত নামাযের বিশেষ ফজিলত আছে।
- আমল আল্লাহর জন্য হলে তার মূল্য বেশি হয়।
- নিয়মিত ছোট আমলও জান্নাতের ঘর লাভের কারণ হতে পারে।
- নামাযের ধারাবাহিকতা মুমিনের ইবাদতকে সুন্দর করে।
