৪/১৫. অধ্যায়ঃ
যিনি বলেন, সকলেই একত্রে তাকবীর বলবে, যদিও তারা কিবলার বিপরীত দিকে মুখ করে থাকে। ইমাম তাঁর কাছের লোকদের নিয়ে এক রাকাত আদায় করবেন। এরপর এরা তাদের সাথীদের সারিতে এসে দাঁড়াবে এবং ঐ দলটি এসে নিজস্বভাবে এক রাকাত আদায় করবে। ইমাম এদেরকে নিয়ে আরো এক রাকাত আদায় করবেন। অতঃপর শত্রুর মোকাবিলায় দাঁড়িয়ে থাকা দলটি সামনে এগিয়ে এসে নিজস্বভাবে তাদের এক রাকাত আদায় করে নিবে। সবার সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত ইমাম যথারীতি বসেই থাকবেন এবং পরে সবাইকে নিয়ে একত্রে সালাম ফিরাবেন।
সুনানে আবু দাউদ : ১২৪১
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১২৪১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى نَجْدٍ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِذَاتِ الرِّقَاعِ مِنْ نَخْلٍ لَقِيَ جَمْعًا مِنْ غَطَفَانَ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ وَلَفْظُهُ عَلَى غَيْرِ لَفْظِ حَيْوَةَ وَقَالَ فِيهِ حِينَ رَكَعَ بِمَنْ مَعَهُ وَسَجَدَ قَالَ فَلَمَّا قَامُوا مَشَوُا الْقَهْقَرَى إِلَى مَصَافِّ أَصْحَابِهِمْ وَلَمْ يَذْكُرِ اسْتِدْبَارَ الْقِبْلَةِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে 'নাজদ' অভিযানে বের হই। আমরা যখন 'যাতুর-রিকা' স্থানের 'নাখল' উপত্যকায় পৌঁছি, তখন গাতাফান গোত্রের একদল লোকের সাথে আমাদের যুদ্ধ হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর বর্ণনাকারী হাদিসের ভাব ও অর্থ বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী হায়ওয়া যে শব্দে এ হাদিস বর্ণনা করেছেন পূর্বোল্লিখিত বর্ণনাকারীর শব্দ এর ব্যতিক্রম। তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে রুকু ও সিজদা করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন, তারা সিজদা হতে উঠে দাঁড়িয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে তাদের সাথীদের স্থানে দন্ডায়মান হলো। তবে এ হাদিসে কিবলার দিক পিছনে থাকার কথা উল্লেখ নেই।
