৬/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৯৪ - কম সময়ে খতমের সতর্কতা
কুরআন নির্ধারিত অংশে ভাগ করে তিলাওয়াত করা
তিন দিনের কমে কুরআন খতম করলে বোঝার ঘাটতির সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৩৯৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩৯৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ، يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَفْقَهُ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فِي أَقَلَّ مِنْ ثَلاَثٍ» .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কোরআন খতম করেছে, সে কিছুই হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করেছে, সে কিছুই হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনি। এটি কুরআন তিলাওয়াতের খুব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। কুরআন পড়া শুধু দ্রুত শেষ করার কাজ নয়। তিলাওয়াতের সঙ্গে বুঝা, মন দেওয়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে ভাবার দিকও আছে। হাদিসটি আমাদের দ্রুততার সীমা সম্পর্কে সতর্ক করে। কেউ অনেক পড়তে চাইলে সেটি ভালো আগ্রহ হতে পারে, কিন্তু কুরআন খতমের ক্ষেত্রে এমন গতি রাখা উচিত নয়, যাতে বুঝার সুযোগ নষ্ট হয়। তাই কুরআন খতম কত দিনে, তিন দিনের কমে খতম এবং কুরআন বুঝে পড়া—এই হাদিসের মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন তিলাওয়াতে দ্রুততার সঙ্গে বোঝার বিষয়ও জরুরি।
- তিন দিনের কমে খতমের বিষয়ে হাদিসে সতর্কতা এসেছে।
- খতমের সংখ্যা নয়, হৃদয়ঙ্গম করাও গুরুত্বপূর্ণ।
- কুরআন পড়ার সময় ধীরতা ও মনোযোগ রাখা ভালো।
