৬/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৯৫ - সাত দিনের নিচে নয়
কুরআন নির্ধারিত অংশে ভাগ করে তিলাওয়াত করা
কুরআন খতমের সময়: চল্লিশ দিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত নির্দেশনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৩৯৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩৯৫
حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ حَبِيبٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ ﷺ فِي كَمْ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ قَالَ «فِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا» . ثُمَّ قَالَ «فِي شَهْرٍ» . ثُمَّ قَالَ «فِي عِشْرِينَ» . ثُمَّ قَالَ «فِي خَمْسَ عَشْرَةَ» . ثُمَّ قَالَ «فِي عَشْرٍ» . ثُمَّ قَالَ «فِي سَبْعٍ» . لَمْ يَنْزِلْ مِنْ سَبْعٍ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ)-কে কোরআন খতমের সময়সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (ﷺ) বলেনঃ চল্লিশ দিনে। অতঃপর বলেনঃ এক মাসে, অতঃপর বলেনঃ বিশ দিনে, অতঃপর বলেনঃ পনের দিনে, অতঃপর বলেনঃ দশ দিনে, সর্বশেষে বলেন, সাত দিনে। আর তিনি সাত দিনের কম উল্লেখ করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন সাহাবী নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে কুরআন খতমের সময়সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে তিনি প্রথমে চল্লিশ দিনের কথা বলেন। এরপর এক মাস, বিশ দিন, পনের দিন, দশ দিন এবং শেষে সাত দিনের কথা বলেন। বর্ণনায় এসেছে, তিনি সাত দিনের কম উল্লেখ করেননি। এই হাদিস কুরআন তিলাওয়াতে ধাপে ধাপে সহজতা এবং সীমা দুটোই দেখায়। কেউ ধীরে পড়তে চাইলে সময় আছে, আবার নিয়মিত বেশি পড়তে চাইলে সাত দিনের কথা এসেছে। তবে এই বর্ণনায় সাত দিনের কম বলা হয়নি। তাই কুরআন খতমের ক্ষেত্রে ভারসাম্য, ধারাবাহিকতা ও বুঝে পড়ার সুযোগ রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন খতমের জন্য চল্লিশ দিন, এক মাসসহ বিভিন্ন সময় এসেছে।
- সাত দিনের কম এই বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়নি।
- তিলাওয়াতে নিয়ম ও সহজতা একসাথে রাখা ভালো।
- সামর্থ্য অনুযায়ী ধীরে বা নিয়মিত বেশি পড়া যেতে পারে।
