৯/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫৮৫ - যাকাত সংগ্রহে সীমালঙ্ঘনের ভয়
মাঠে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত
যাকাত সংগ্রহে সীমালঙ্ঘনকারীর কঠিন সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৫৮৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৫৮৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «الْمُعْتَدِي فِي الصَّدَقَةِ كَمَانِعِهَا».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যাকাত সংগ্রহে সীমালঙ্ঘনকারী ঐ ব্যক্তির মতই যে যাকাত দিতে অস্বীকার করে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই ছোট হাদিসে যাকাত আদায়কারীদের জন্য বড় সতর্কতা আছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যাকাত সংগ্রহে সীমালঙ্ঘনকারী সেই ব্যক্তির মতো, যে যাকাত দিতে অস্বীকার করে। অর্থাৎ যাকাত ফরজ হওয়ার পর তা না দেওয়া যেমন অন্যায়, তেমনি যাকাত আদায়ের নামে মানুষের উপর বাড়তি চাপ দেওয়াও অন্যায়। এই হাদিস যাকাত আদায়কারীর ন্যায়, আমানতদারি এবং সীমা মানার শিক্ষা দেয়। যাকাত সংগ্রহের কাজ ইবাদতের সঙ্গে যুক্ত, তাই এখানে ব্যক্তিগত লোভ, কঠোরতা বা অতিরিক্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। যাকাতের নিয়ম হলো, যা ফরজ তা নেওয়া হবে, আর যার উপর যা নেই তা চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যাকাত সংগ্রহে সীমালঙ্ঘন করা গুরুতর অন্যায়।
- যাকাত না দেওয়া যেমন ভুল, অতিরিক্ত আদায় করাও ভুল।
- আদায়কারীকে ন্যায় ও আমানতদারির সঙ্গে কাজ করতে হবে।
- ফরজের বেশি চাপিয়ে দেওয়া ইসলামী আদবের বিপরীত।
