১১/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮০৮ - ফাসখুল হজ্জের বিশেষ বিধান
কারো পক্ষ হতে হজ্জ করা
ফাসখুল হজ্জ শুধু কার জন্য ছিল
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮০৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮০৮
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - أَخْبَرَنِي رَبِيعَةُ بْنُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ بِلاَلِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَسْخُ الْحَجِّ لَنَا خَاصَّةً أَوْ لِمَنْ بَعْدَنَا قَالَ «بَلْ لَكُمْ خَاصَّةً " .
বিলাল ইবনুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! হজের ইহরাম ভেঙ্গে তা ‘উমরাহ্য় পরিবর্তন করা কি কেবল আমাদের জন্যই নির্ধারিত না আমাদের পরবর্তীদের জন্যও? তিনি বললেনঃ না, শুধু তোমাদের জন্যই নির্ধারিত।
[১৮০৮] নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ, দারিমী। সনদে আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে হাফিয বলেন : তিনি অন্যের কিতাব থেকে হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে ভুল করেছেন। আর হারিস ইবনু বিলাল সম্পর্কে বলেন : তিনি মাক্ববুল। যেমন আত-তাক্বরীব গ্রন্থে রয়েছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন সাহাবী রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সরাসরি জিজ্ঞেস করেন, হজ্জের ইহরাম ভেঙে সেটিকে উমরায় পরিবর্তন করা কি শুধু আমাদের জন্য, নাকি আমাদের পরবর্তীদের জন্যও? রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, বরং শুধু তোমাদের জন্য। এই বর্ণনা হজ্জের একটি বিশেষ বিধানকে সীমিত করে দেয়। এখানে বেশি কথা নেই, কিন্তু প্রশ্ন ও উত্তর খুব স্পষ্ট। তাই হজ্জের ইহরাম, উমরায় পরিবর্তন, ফাসখুল হজ্জ এবং বিদায় হজ্জের বিশেষ নির্দেশ—এসব বিষয়ে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এটি শেখায়, কোনো বিধান কার জন্য এবং কোন অবস্থায় বলা হয়েছে, তা বুঝা দরকার। সাধারণ মানুষ যেন ইবাদতের নিয়মে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নেয়—এই সতর্কতাও বর্ণনার ভাষা থেকে বোঝা যায়। এই উত্তর হজ্জের বিশেষ ঘটনার সীমা বুঝতে সরাসরি সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের ইহরাম উমরায় পরিবর্তন করার প্রশ্ন সরাসরি করা হয়েছিল।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এটিকে প্রশ্নকারীদের জন্য বিশেষ বলেছেন।
- হজ্জের বিধানে সময় ও অবস্থার পার্থক্য গুরুত্ব রাখে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় একটি নিয়ম পরিষ্কার করতে পারে।
