১/৮৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৬ - সহবাসে গোসল ফরজ
সহবাসে বীর্যপাত না হলে
সহবাসে কখন গোসল ফরজ হয়? হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ২১৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২১৬
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْفَرَاهِيدِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، وَشُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «إِذَا قَعَدَ بَيْنَ شُعَبِهَا الأَرْبَعِ وَأَلْزَقَ الْخِتَانَ بِالْخِتَانِ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, (স্ত্রীর) চার অঙ্গের মাঝখানে বসলে এবং এক যৌনাঙ্গ অপর যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে দিলেই গোসল ওয়াজিব হবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, স্ত্রীলোকের চার অঙ্গের মাঝখানে বসলে এবং এক যৌনাঙ্গ অন্য যৌনাঙ্গে মিলিত হলে গোসল ফরজ হবে। এই বর্ণনার ভাষা সরাসরি। এখানে গোসল ফরজ হওয়ার কারণ হিসেবে যৌনাঙ্গের মিলনের কথা এসেছে। তাই সহবাসের পর গোসলের বিধান জানতে চাইলে এই হাদিস একটি মূল শিক্ষা দেয়। বর্ণনায় বীর্যপাতের শর্ত আলাদা করে বলা হয়নি; বরং মিলনের কথা বলেই গোসল ফরজ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে ব্যাখ্যায় শালীনতা রাখা দরকার, কারণ বিষয়টি ব্যক্তিগত হলেও পবিত্রতার সঙ্গে জড়িত। মূল কথা হলো, জানাবাত থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করতে হবে, যাতে সালাত ও ইবাদতের আগে পবিত্রতা ঠিক থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যৌনাঙ্গ মিলিত হলে গোসল ফরজ হওয়ার কথা এসেছে।
- এ বর্ণনায় বীর্যপাতকে আলাদা শর্ত হিসেবে বলা হয়নি।
- দাম্পত্য বিষয়ের সঙ্গে পবিত্রতার বিধান জড়িত।
- সালাতের আগে জানাবাত থেকে পবিত্র হওয়া দরকার।
