৪১/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪৯৭ - কিসাসে ক্ষমার শিক্ষা
শাসক বা বিচারক যদি খুনিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন
কিসাসের বিবাদে ক্ষমার প্রতি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৪৯৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪৯৭
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ رُفِعَ إِلَيْهِ شَىْءٌ فِيهِ قِصَاصٌ إِلاَّ أَمَرَ فِيهِ بِالْعَفْوِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি দেখেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কোনো কিসাসজনিত বিবাদ পেশ করা হলে তিনি ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি দেখেছেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে কোনো কিসাসজনিত বিবাদ পেশ করা হলে তিনি ক্ষমা করে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা গভীর। কিসাস ভুক্তভোগী পক্ষের অধিকার; তবে নবী (صلى الله عليه وسلم) ক্ষমার দিকটি সামনে আনতেন। এতে বোঝা যায়, ন্যায়বিচারের সঙ্গে দয়া ও ক্ষমার দরজাও খোলা থাকে। হাদিসটি কিসাস বাতিল করছে না; বরং যখন বিষয় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে আসত, তিনি ক্ষমাকে উৎসাহ দিতেন। তাই এই বর্ণনা মানুষের মধ্যে প্রতিশোধের আগুন কমানো, বিবাদ শান্ত করা এবং ক্ষমার মর্যাদা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিসাসের অধিকার থাকলেও ক্ষমা একটি প্রশংসনীয় পথ।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) কিসাসের ঘটনায় ক্ষমার দিকে নির্দেশ দিতেন।
- ন্যায়ের সঙ্গে দয়া ও সংযম রাখা দরকার।
- ক্ষমা বিবাদ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
