২/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭০ - সালাতের অপেক্ষায় থাকার মর্যাদা
মসজিদে বসে থাকার ফজিলত
সালাতের অপেক্ষায় থাকা: ইবাদতের মধ্যে থাকার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৭০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৭০
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " لاَ يَزَالُ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَةٍ مَا كَانَتِ الصَّلاَةُ تَحْبِسُهُ لاَ يَمْنَعُهُ أَنْ يَنْقَلِبَ إِلَى أَهْلِهِ إِلاَّ الصَّلاَةُ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায়ে রত ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে, যতক্ষণ সালাত (অর্থাৎ সালাতের অপেক্ষা) তাকে আটকে রাখবে। তাকে তো তার পরিবার পরিজনের নিকট ফিরে যেতে কেবল সালাতই বারণ করছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ সালাত আদায়ে রত ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে, যতক্ষণ সালাত তাকে আটকে রাখে। অর্থাৎ সে পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারত, কিন্তু সালাতের অপেক্ষায় থাকায় সে থাকে। হাদিসটি মসজিদে সালাতের অপেক্ষার মর্যাদা বোঝায়। এখানে শুধু বসে থাকা নয়; উদ্দেশ্য হলো সালাতের জন্য অপেক্ষা করা। তাই যে ব্যক্তি জামাত, পরের সালাত বা নির্দিষ্ট সালাতের জন্য মসজিদে থাকে, তার এই অপেক্ষাও ইবাদতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এতে সময়ের মূল্যও বোঝা যায়। সালাতের অপেক্ষা অলস বসে থাকা নয়; বরং আল্লাহর ইবাদতের জন্য নিজেকে ধরে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের অপেক্ষা নিজেই ইবাদতের মর্যাদা পেতে পারে।
- সালাতের জন্য নিজেকে আটকে রাখা প্রশংসনীয় কাজ।
- মসজিদে সময় কাটানোর উদ্দেশ্য সালাত হলে তা মূল্যবান হয়।
- পরিবারে ফেরার সুযোগ থাকলেও সালাতের অপেক্ষা আলাদা মর্যাদা রাখে।
