২/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭১ - সালাতের অপেক্ষা ও ফেরেশতার দোয়া
মসজিদে বসে থাকার ফজিলত
সালাতের অপেক্ষায় থাকা ও ওজু বজায় রাখার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৭১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৭১
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " لاَ يَزَالُ الْعَبْدُ فِي صَلاَةٍ مَا كَانَ فِي مُصَلاَّهُ يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ تَقُولُ الْمَلاَئِكَةُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ حَتَّى يَنْصَرِفَ أَوْ يُحْدِثَ " . فَقِيلَ مَا يُحْدِثُ قَالَ يَفْسُو أَوْ يَضْرِطُ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায়ের স্থানে (জায়নামাজে) সালাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত পুরো সময় সে সালাতেই থাকে। তার প্রত্যাবর্তন না করা অথবা ওজু টুটে না যাওয়া পর্যন্ত মালায়িকাহ্ তার জন্য এই বলে দোয়া করতে থাকেঃ ‘হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্! তার প্রতি রহম করুন।’ বলা হলো, ওজু টুটে যাওয়ার অর্থ কী? তিনি বললেনঃ (পায়খানার রাস্তা দিয়ে) নিঃশব্দে অথবা সশব্দে বায়ু নির্গত হওয়া।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের অপেক্ষায় থাকার ফজিলত আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। একজন বান্দা যতক্ষণ সালাতের স্থানে সালাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ সে সালাতেই থাকে। ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করেন: হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম করুন। এই দোয়া চলতে থাকে যতক্ষণ সে চলে না যায় বা ওজু নষ্ট না হয়। হাদিসে ওজু টুটে যাওয়ার ব্যাখ্যাও এসেছে—নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু বের হওয়া। তাই এখানে সালাতের অপেক্ষা, পবিত্রতা বজায় রাখা এবং মসজিদে বসে থাকার আদব একসঙ্গে শেখানো হয়েছে। এটি মসজিদে অপেক্ষাকে অর্থপূর্ণ আমল হিসেবে দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের অপেক্ষায় থাকা সালাতে থাকার মতো মর্যাদা পেতে পারে।
- ফেরেশতারা অপেক্ষারত ব্যক্তির জন্য ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করেন।
- ওজু বজায় রাখা এই ফজিলতের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- হাদিসে ওজু ভঙ্গের একটি স্পষ্ট উদাহরণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
