২/১৭৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৩ - সালাতরত অবস্থায় ইশারার প্রমাণ
সালাতের মধ্যে ইশারা করা প্রসঙ্গে
সালাতরত অবস্থায় ইশারা করা: হাদিসের সহজ শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৯৪৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯৪৩
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبُّويَةَ الْمَرْوَزِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُشِيرُ فِي الصَّلاَةِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সালাতে রত অবস্থায় ইশারা করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট হলেও সালাতের একটি বাস্তব দিক সামনে আনে। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাতরত অবস্থায় ইশারা করতেন। এখানে কোনো দীর্ঘ ঘটনা বা আলাদা শর্ত বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা দরকার। সরাসরি যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলো, সালাতের মধ্যে কথা না বলে প্রয়োজনীয় ইশারা করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে ছিল। এই কারণে ‘সালাতে ইশারা’, ‘সালাতের মধ্যে সংকেত’ এবং ‘নামাজে কথা না বলে বোঝানো’—এগুলো এই হাদিসের মূল সার্চ টপিক। তবে হাদিসে কোন ধরনের ইশারা, কখন, কী কারণে—এসব বিস্তারিত বলা হয়নি, তাই অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক হবে না। এই সীমিত বক্তব্যের ভেতরে থাকলে হাদিসের প্রতি সততা থাকে এবং পাঠকও বুঝতে পারেন, প্রমাণ যতটুকু এসেছে ব্যাখ্যাও ততটুকুই হওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাতরত অবস্থায় ইশারা করতেন—এ কথা সরাসরি এসেছে।
- সালাতে কথা না বলে সংকেতের মাধ্যমে বোঝানোর দিকটি জানা যায়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে সীমিত শিক্ষা নেওয়াই নিরাপদ।
- ইবাদতের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলার গুরুত্ব বোঝা যায়।
