২/১৭৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৯ - সালাতে কথা বলা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ
সালাতরত অবস্থায় কথা বলা নিষেধ
সালাতে কথা বলা নিষেধ: নীরবতার হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ৯৪৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯৪৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ كَانَ أَحَدُنَا يُكَلِّمُ الرَّجُلَ إِلَى جَنْبِهِ فِي الصَّلاَةِ فَنَزَلَتْ ﴾ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ ﴿ فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ وَنُهِينَا عَنِ الْكَلاَمِ .
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের কেউ সালাত আদায় অবস্থায়ই তার পাশের ব্যক্তির সাথে কথা বলতো।অতঃপর এ আয়াত নাযিল হয়ঃ “তোমরা আল্লাহর একান্ত অনুগত হয়ে (সালাত) দাঁড়াও” (সূরা আল-বাক্বারাহঃ ২৩৮)।এ আয়াতে আমাদেরকে সালাত চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হয় এবং কথাবার্তা বলতে নিষেধ করা হয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের ভেতরে কথাবার্তা বন্ধ হওয়ার একটি সরাসরি বর্ণনা এসেছে। যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) বলেন, আগে কেউ সালাতের মধ্যেই পাশে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলত। এরপর আয়াত নাযিল হয়: ‘তোমরা আল্লাহর একান্ত অনুগত হয়ে দাঁড়াও।’ এই আয়াতের পর তাঁদের সালাতে চুপ থাকতে আদেশ দেওয়া হয় এবং কথা বলতে নিষেধ করা হয়। তাই হাদিসটির মূল কীওয়ার্ড হলো সালাতে কথা বলা নিষেধ, নামাজে নীরব থাকা, এবং আল্লাহর জন্য অনুগত হয়ে দাঁড়ানো। এখানে শিক্ষা খুব পরিষ্কার—সালাত আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর ইবাদত, তাই এতে সাধারণ কথাবার্তা নয়, নীরবতা ও মনোযোগ দরকার। তাই এই হাদিস সালাতের ভাষা ও নীরবতার সীমা বুঝতে সাহায্য করে। মানুষ পাশে থাকলেও সালাতে তার মন আল্লাহর দিকে থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের মধ্যে সাধারণ কথাবার্তা বলতে নিষেধ করা হয়েছে।
- আয়াত নাযিলের পর সালাতে নীরব থাকার আদেশ এসেছে।
- সালাত আল্লাহর জন্য অনুগতভাবে দাঁড়ানোর ইবাদত।
- পাশের ব্যক্তির সঙ্গেও সালাতে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
