২৫/৩৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৬৫ - ইহরাম ভেঙে হালাল হওয়ার নির্দেশ
তামাত্তু‘, কিরান ও ইফরাদ হজ্জ করা এবং যার সঙ্গে কুরবানির জন্তু নেই তার জন্য হজ্জের ইহরাম পরিত্যাগ করা।
ইহরাম ভেঙে হালাল হওয়া: নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৫৬৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৫৬৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ قَدِمْتُ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَمَرَهُ بِالْحِلِّ
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি আমাকে (ইহ্রাম ভঙ্গ করে) হালাল হয়ে যাওয়ার আদেশ দিলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে আবু মূসা (রাঃ)-এর একটি ঘটনা এসেছে। তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে উপস্থিত হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে ইহরাম ভঙ্গ করে হালাল হয়ে যাওয়ার আদেশ দেন। যদিও বর্ণনাটি ছোট, তবু হজ্জে ইহরাম, হালাল হওয়া এবং রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানার বিষয়টি এতে স্পষ্ট। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত ঘটনা নেই। তাই এই হাদিসের শিক্ষা হলো, হজ্জ ও উমরাহর কাজ নিজের অনুমান দিয়ে নয়, সঠিক নির্দেশ অনুযায়ী করা দরকার। অনেক সময় কেউ ইহরাম অবস্থায় এসে কী করবে তা বুঝতে পারে না। তখন জ্ঞানীর কাছে জিজ্ঞেস করা এবং সুন্নাত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই নিরাপদ পথ। হাদিসটি তামাত্তু হজ্জের ধারাবাহিক আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত, কারণ এতে ইহরাম ছাড়ার নির্দেশ সরাসরি এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের কাজে না বুঝলে রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসরণ করতে হয়।
- ইহরাম ভেঙে হালাল হওয়া নির্দিষ্ট নির্দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জানাতে পারে।
- নিজের ধারণার বদলে সঠিক জিজ্ঞাসা ও সঠিক অনুসরণ প্রয়োজন।
