২৫/৪৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৮৯ - খায়ফে বনী কেনানা ও ইনশাআল্লাহর শিক্ষা
নবী (ﷺ)-এর মক্কায় অবতরণ।
খায়ফে বনী কেনানা: নবীজির অবস্থান ও ইনশাআল্লাহর শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৫৮৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৫৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ حِينَ أَرَادَ قُدُومَ مَكَّةَ مَنْزِلُنَا غَدًا إِنْ شَاءَ اللهُ بِخَيْفِ بَنِي كِنَانَةَ حَيْثُ تَقَاسَمُوا عَلَى الْكُفْرِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) মক্কায় প্রবেশের ইচ্ছা করার সময় বলেন, আগামীকাল ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থান হবে খায়ফে বনী কেনানায়, যেখানে তারা কুফরির ওপর শপথ করেছিল। হাদিসটির মূল বিষয় হলো নবীজির সফরের অবস্থান এবং ইনশাআল্লাহ বলা। এখানে খায়ফে বনী কেনানার উল্লেখ এসেছে, যা মক্কার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বর্ণনায় বলা হয়েছে, সেখানে একসময় কুফরির ওপর শপথ করা হয়েছিল। নবীজি সেই স্থানকে অবস্থানস্থল হিসেবে উল্লেখ করার সময় আল্লাহর ইচ্ছাকে সামনে রেখে ইনশাআল্লাহ বলেন। এতে একটি সহজ কিন্তু গভীর শিক্ষা আছে—ভবিষ্যৎ কোনো কাজের কথা বললে আল্লাহর ইচ্ছাকে স্মরণ করা উচিত। একই সঙ্গে হাদিসটি মক্কা প্রবেশ, সফর পরিকল্পনা এবং ঐতিহাসিক স্থান চেনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভবিষ্যৎ কাজের কথা বলার সময় ইনশাআল্লাহ বলা নবীজির আমলের মধ্যে এসেছে।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সফরে কোথায় অবস্থান করবেন, তা সাহাবীদের জানিয়েছেন।
- খায়ফে বনী কেনানা এমন স্থান, যেখানে কুফরির ওপর শপথের ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে।
